ডেস্ক রিপোর্ট:
পড়া মনে থাকে না নাকি মনে রাখি না ? আসলে সবই হচ্ছে অভ্যাস। সব কাজে কিছু কৌশল থাকে, সেগুলো জানা থাকলে অনেক কম পরিশ্রমে অসাধারণ ফলাফল পাওয়া যায়, তারা সেগুলো জানে দেখেই ভাল করে। এখন থেকে তুমিও ভাল করবে কারণ সেই কৌশলগুলো আজ জানিয়ে দিচ্ছি তোমাদের।
১. নোট রাখা:
নোট নেওয়া বেশ কষ্টকর একটি প্রক্রিয়া। সাধারণত এটি কেউ শখ করে করতে চায় না। তুমি কি জানো একদম নিজে থেকে লিখে একটি বিষয়ের নোট তৈরি করলে বিষয়টি মনে রাখার ক্ষমতা ৪০% বেড়ে যায়?
২. গল্পে গল্পে শেখা:
গল্পের মতো করে সাজিয়ে শেখা তখন সেটি অনেকদিন পরও খুব ভালোভাবে মনে থাকবে, মানুষ আর যাই কিছু ভুলুক, গল্প কোনদিন ভুলে না সহজে! এজন্যই অনেকরকম থিওরি-ফর্মুলা-তালিকা ইত্যাদি প্রথম অক্ষরগুলো নিয়ে ছোটখাটো ছড়া বানিয়ে ফেললে সেটি মনে রাখা অনেক সহজ হয়ে যায়!
৩. শব্দ করে পড়া:
জোরে পড়া কিন্তু পড়া মনে রাখার জন্য চমৎকার একটি কৌশল! মনে মনে পড়লে অনেককিছু ভাসাভাসা ভাবে দেখে যাওয়া হয় মাথার ভেতর তেমনভাবে গেঁথে যায় না তথ্যগুলো, হঠাৎ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো জোরে জোরে পড়লে তখন বেশ ম্যাজিকের মতো কাজ করে সেটি!
৪. ঘুমানোর আগে পড়তে বসা:
পড়তে বসলে ঘুমে ঢুলুঢুলু হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটি বিচিত্র কিছু নয়, এটি হয় না এমন কথা বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে তেমন মানুষ খুব বেশি নেই! আমার এক বন্ধু আছে সে এমন ঘুম পেলে বই দাঁতে কামড়ে ধরে হাঁটাহাঁটি করে, প্রক্রিয়াটি শুনতে খুব সুখকর নয় কিন্তু সেটি তার জন্য দারুণ কাজ করে! ঘুম পাওয়ার এই বিষয়টিকে কিন্তু চমৎকারভাবে কাজে লাগানো যায় ঘুমানোর আগে আগে কিছু পড়লে সেটি মনে থাকার সম্ভাবনা কয়েকগুণ বেড়ে যায়?
৫. নিয়মিত ব্যায়াম করা:
ব্যায়াম করার অনেক উপকার আছে, ব্যায়াম করলে বিভিন্ন হরমোনের নিঃসরণ ঘটে সেগুলো নানারকম কাজে দেয়।নিয়মিত ব্যায়াম করলে এই ক্ষতিকর হরমোনগুলোর নিঃসরণ রাতারাতি কমে যায়, তখন পড়ায় মন বসাতে পারবে তুমি নিশ্চিন্তে!
৬. গ্রুপ স্টাডি করা:
৭. ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে পড়া:
শুধু পরিবেশটি ভিন্ন হওয়ার কারণে অবচেতন মনের একটি দারুণ আগ্রহ জন্মেছে সে খুব যত্ন করে টপিকটি তোমার মাথায় গেঁথে দিয়েছে! তাই মাঝেমধ্যেই পড়ার জায়গাটি পরিবর্তন করলে সেটি দারুণ কাজে দেয়!
৮. নিয়মিত অল্প করে পড়া:
একটি জিনিস একবারে শিখতে যাওয়ার চেয়ে নিয়মিত একটু একটু করে পড়লে সেটি মনে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায় বহুগুণ।
৯.নিজে শিখে অন্যকে শেখানো:
কাউকে শেখাতে গেলে জিনিসটি এত ভালোভাবে জানা হয়ে যায় যে সেটি ভুলবার কোন সুযোগ আর থাকে না!

১০.লিখে লিখে পড়া:
কিছু লিখতে চাইলে সেই লেখার প্রতি তার মনোযোগ বেড়ে যায়। এটা দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি বা পার্মানেন্ট মেমরি তৈরীতে সাহায্য করে।

১১.গভীর রাতে পড়া:
গভীর রাতে পড়ালেখায় মনোযোগও আসবে আগের চেয়ে বেশি।খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারটিও মাথায় দারুণ কাজে দেয়।
