ফিফা বিশ্বকাপ ঘিরে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবেগ-আনন্দ-উচ্ছাস

খেলা

ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। আর চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপ যেন কেবল একটি টুর্নামেন্ট নয়, বরং কোটি মানুষের আবেগ, স্বপ্ন ও ভালোবাসার এক মহোৎসব। সেই বিশ্বকাপের রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর শিক্ষার্থীরাও। ক্যাম্পাসজুড়ে এখন প্রিয় দলকে ঘিরে আলোচনা, জার্সি পরার উচ্ছ্বাস, ম্যাচ বিশ্লেষণ এবং একসঙ্গে খেলা উপভোগ করার আনন্দে মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সামাজিক যোগায়োগমাধ্যমে প্রিয় দলের ছবি, শুভকামনা ও ম্যাচ-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় সরব রয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর থেকেই ক্যাম্পাসে ফুটবলের আমেজ স্পষ্ট। এবারে বিশ্বকাপ নিয়ে শিক্ষার্থীরা কি ভাবছেন তা জানাচ্ছেন চারদিক-২৪ এর প্রতিবেদক ফারিয়া ফাতেমা

 

এইবার শুধু ভালো খেলা নয়, দেখতে চাই ষষ্ঠ বিশ্বকাপের হাসি। হলুদ জার্সির উল্লাসে আবার রঙিন হোক ফুটবল বিশ্ব। প্রতিটি ম্যাচে লড়াই, আত্মবিশ্বাস আর জয়ের গল্প লিখুক সেলেসাও। প্রতিটি পাসে থাকুক জাদু, প্রতিটি গোলে জাগুক কোটি সমর্থকের উল্লাস। ইতিহাস আবার নতুন করে লিখুক ব্রাজিল, বিশ্বকে দেখাক সাম্বা ফুটবলের আসল সৌন্দর্য। ২৪ বছরের অপেক্ষার অবসান হোক, স্বপ্ন পূরণ হোক কোটি ব্রাজিল ভক্তের। স্বপ্ন একটাই-শেষ বাঁশি বাজুক, আর ট্রফিটা উঠুক ব্রাজিলের হাতেই।
রাহাত আহমেদ
 সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগ
স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ

 

আর্জেন্টিনা আমার কাছে শুধু একটি দল নয়, এটি আমার আবেগের নাম। লিওনেল মেসি-কে মাঠে দেখলেই বুকটা গর্বে ভরে যায়। বিশ্বকাপ এলেই আকাশি-সাদা জার্সি পরে প্রিয় দলের জন্য গলা ফাটিয়ে সমর্থন করি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, নিজেদের সেরাটা খেলতে পারলে আর্জেন্টিনা আবারও বিশ্বকাপ জয়ের মঞ্চে উঠবে। আমরা সমর্থকরা শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত দলের পাশেই থাকব। কারণ আমাদের বিশ্বাস, লড়াই, ঐক্য আর আত্মবিশ্বাসই আর্জেন্টিনাকে আবারও চ্যাম্পিয়নের গৌরব এনে দেবে। ভামোস আর্জেন্টিনা!
সাইশা ইসলাম
চলচিত্র এবং গণমাধ্যম বিভাগ
স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ

 

আমি বিশ্বাস করি, এবারের বিশ্বকাপে পর্তুগাল নিজেদের সেরাটা উপহার দেবে। তরুণদের ক্ষুধা আর অভিজ্ঞদের নেতৃত্বে দলটি শিরোপার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করবে-এটাই আমার প্রত্যাশা। প্রতিটি ম্যাচে সাহসী, আক্রমণাত্মক ও আত্মবিশ্বাসী ফুটবল দেখতে চাই। জয়-পরাজয় খেলাধুলারই অংশ, তবে আমি চাই পর্তুগাল যেন নিজেদের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা মাঠে তুলে ধরে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এ বিশ্বকাপেই পর্তুগাল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে।
আরাফাত হোসেন
সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগ
স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ

 

স্পেনকে আমি ভালোবাসি তাদের দৃষ্টিনন্দন ও বুদ্ধিদীপ্ত ফুটবলের জন্য। বল দখলে রেখে ধৈর্যের সঙ্গে আক্রমণ গড়ে তোলা এবং নিখুঁত পাসিং ফুটবলই স্পেনের সবচেয়ে বড় শক্তি। স্পেনের খেলা দেখলে মনে হয়, ফুটবল শুধু শক্তির নয়, শিল্পেরও একটি সুন্দর প্রকাশ। নতুন প্রজন্মের তারকারা দলটিকে আরও আত্মবিশ্বাসী ও গতিময় করে তুলেছে। জয়-পরাজয় আমার কাছে বড় বিষয় নয়; স্পেন যেভাবে সুন্দর ফুটবল উপহার দেয়, সেটাই আমাকে বারবার তাদের সমর্থক হতে অনুপ্রাণিত করে। আমি বিশ্বাস করি, লা রোজা আবারও বিশ্ব ফুটবলে নিজেদের সেরা অবস্থান ফিরে পাবে এবং সমর্থকদের গর্বিত করবে।
সাফওয়াত আলিফ
ইংরেজী বিভাগ
স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *