দেবিকা দে
বেগুনি নির্দেশ করে সুবিচার ও মর্যাদা। যা দৃঢ়ভাবে নারীর সমতায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রাম শেষে বেগুনি রং এখন নারীবাদীদের প্রতিবাদের এক অনন্য প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেগুনি রঙের সংমিশ্রণ যার সবুজ ও সাদা দেখা হয় নারীর সমমর্যাদার প্রতীক হিসেবে। ১৯০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে নারীর সামাজিক ও রাজনৈতিক ইউনিয়ন থেকে এর সূত্রপাত ঘটেছিল।
বেগুনি হলো নারীর ন্যায়বিচার ও সম্মানের প্রতীক। সবুজ হলো আশা ও সাদা বিশুদ্ধতার প্রতিনিধিত্ব করে। ২০১৮ সাল থেকে নারী দিবসের থিম কালার হিসেবে স্থান করে নিয়েছে বেগুনি। আর সে বছরই আন্তার্জাতিক প্রতিষ্ঠান প্যান্টন বেগুনি রংকে নারী দিবসের রং হিসেবে ঘোষণা দেয়। এই বেগুনি দিয়ে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি বোঝানো হয়। অর্থাৎ নারীরা হবে ঠিক অতিবেগুনি রশ্মির মতো শক্তিশালী।
নারী দিবসকে কেন্দ্র করে যদি দেশীয় ফ্যাশনের দিকে নজর দেওয়া হয় তাহলে দেশের ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা থাকে। দেশের কম-বেশি সকল ফ্যাশন হাউস এবং সকল অনলাইন শপগুলো নারী দিবসকে কেন্দ্র করে নিয়ে এসেছে নারী দিবস ভিত্তিক শাড়ি কিংবা বস্ত্র। তবে নারী দিবসকে কেন্দ্র করে শাড়ির প্রচলনই অনুকরণ করা হচ্ছে বেশি। পাশাপাশি সেলোয়ার-কামিজ, গাউন তো রয়েছে। রঙ বাংলাদেশ, কে-ক্রাফট, বিশ্ব রঙ প্রভৃতি ছাড়াও আরও প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা নারী দিবসকে কেন্দ্র করে তাদের হাউজগুলো সাজিয়েছে।
ছবি: কে-ক্রাফট
