তানভীর সিদ্দিক টিপু:
প্রথমবারের মতো তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ওপেন ডেটা সামিট’ শেষ হয়েছে গেলো সোমবার। অক্টোবরে ইউনেস্কোর গ্লোবাল মিডিয়া অ্যান্ড ইনফরমেশন লিটারেসি সপ্তাহ উদযাপনের অংশ হিসেবে এর আয়োজন করেছে তথ্য বিষয়ক ওয়েবপোর্টাল ডাটাফুল। বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের সরকারি ডেটা উন্মুক্তকরণের সর্বশেষ অবস্থা এবং জনকল্যাণে উন্মুক্ত ডেটা ব্যবহারের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয় এই সামিটে।

এক্সেস টু ইনফরমেশন (এটুআই)-এর ডেটা ইনোভেশন ইকোনমিস্ট কাওসার হোসেন সজীবের উদ্বোধনী বক্তব্য দিয়ে শনিবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় শুরু হয় তিন দিনব্যাপী ওপেন ডেটা সামিটের প্রথম দিন। এ সময় তিনি বাংলাদেশ সরকারের তথ্য উন্মক্তকরণ কার্যক্রমের বিষয়ে ওপেন গভডেটা পোর্টালসহ অন্যান্য সরকারি উদ্যোগ তুলে ধরেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ডেপুটি ডিরেক্টর মো. আলমগীর হোসেন, ডেটাফুলের ডেটা কিউরেটর শাকিল আহমেদ এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) প্রফেসর শাহ মো. আহসান হাবীব।
সামিটের দ্বিতীয় দিন উন্মুক্ত ডেটা ও সাংবাদিকতা, উন্মুক্ত ডেটা ও গবেষণা, উন্মুক্ত ডেটা ও পুষ্টি, উন্মুক্ত ডেটা, সাংবাদিকতা ও ফেইক নিউজ, ডেটা লিটারেসি বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়াও এদিন ইউনিভার্সিটি অব লিবারাল আর্টস বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব আইসিটি ইন ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্টসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের কার্য়ক্রম তুলে ধরেণ।
শেষদিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওপেন ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ এবং নেপালের ফ্রিডম ফোরাম অতিথি হিসেবে তাদের ডেটাভিত্তিক জনকল্যাণমুখী কাজ তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে সন্তানকে স্কুলে ভর্তি করানোর জন্য তথ্য সংগ্রহে মা-বাবার সময় ও শ্রম বাঁচাতে একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে ডেটাফুল। শেষদিনের সমাপনী বক্তব্যে অ্যাপ্লিকেশনটির ডেমো তুলে ধরেন ডেটাফুলের প্রতিষ্ঠাতা পলাশ দত্ত।
পলাশ বলেন, ‘এই অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে অভিভাবকরা এক ক্লিকে তাদের পছন্দের স্কুল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন। এই অ্যাপ্লিকেশনে অভিভাবক চাইলে তার পছন্দের একাধিক স্কুলের তথ্য তুলনাও করতে পারবেন।’
২৩ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত এ সামিটের সব সেশন হয়েছে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমে এবং ফেসবুক লাইভে।
