স্ট্যামফোর্ডে ‘জেআরএন ভিজ্যুয়ালস’ কর্মশালা শিরোনামের আড়ালের গল্প বলার কৌশল শিখলেন শিক্ষার্থীরা

ক্যারিয়ার শিক্ষা

মো. শাফায়েত হোসেন শান্ত

 

একটি সংবাদের শিরোনামের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অজানা গল্পকে কীভাবে ভিজ্যুয়ালের মাধ্যমে তুলে ধরা যায়, সেই কৌশল শিখলেন স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ লক্ষ্যে শনিবার (১৯ এপ্রিল) সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসের কনফারেন্স রুমে ‘স্টোরিজ বিয়ন্ড দ্য হেডলাইনস’ শীর্ষক কর্মশালা ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিভাগের প্রভাষক ফারিশতা সিদ্দিকী। কর্মশালার অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিক্ষার্থীদের মাসব্যাপী ‘রমাদান প্রজেক্ট’-এর ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা। রমজান মাসে ছয়টি দলে বিভক্ত হয়ে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক বিষয় নিয়ে ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করেন, যা এদিন প্রদর্শন করা হয়।

শিক্ষার্থীদের নির্মিত কাজগুলো পর্যবেক্ষণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক চ্যানেল ২৪-এর সিনিয়র ভিডিও এডিটর শাহাদাত হোসেন মামুন। বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, সহকারী অধ্যাপক সামিয়া আসাদী, তানিয়া সুলতানা, শবনম জান্নাত এবং প্রভাষক মো. সোহেল হোসেন।

অনুষ্ঠানে সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, “শিক্ষার্থীদের এই সৃজনশীল উদ্যোগ প্রশংসনীয়। পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে গড়ে উঠতে বাস্তবভিত্তিক কাজের বিকল্প নেই।”

প্রতিযোগিতায় ছয়টি দলের মধ্যে সেরা তিনটি দলকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রথম স্থান অর্জন করে ৮২ ব্যাচের দল ‘সন্নিবেশ’ (জারিন সুবাহ সামিহা, সাদ রহমান ও তুহিব্বুল আসাদ আবীর)। দ্বিতীয় স্থান পায় ৮৩ ব্যাচের রেজাউল হাসান, ফাইজা নুহান ও অনন্যা হালদার। তৃতীয় স্থান অর্জন করে ৮৫ ব্যাচের তাফিম, তাসিন ও মুনা।

শেষে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী অন্যান্য শিক্ষার্থীদেরও প্রশংসাপত্র দেওয়া হয়।

প্রধান আলোচক শাহাদাত হোসেন মামুন শিক্ষার্থীদের কাজ নিয়ে গঠনমূলক মতামত দেন। তিনি ভিডিও সম্পাদনার কৌশল, দৃশ্য বিন্যাস ও পেশাদার সাংবাদিকতায় ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

কর্মশালায় বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত পরিবেশ তৈরি হয়। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের ব্যবহারিক আয়োজন তাদের পেশাগত দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহায়ক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *