পারিবারিক ঘরানার নাটক বানানো বাড়ানো উচিত: সুমাইয়া শিমু

বিনোদন

মাজহারুল ইসলাম তামিম:

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুমাইয়া শিমু। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন শোবিজ অঙ্গনে। বর্তমান ব্যস্ততা ও অন্যান্য প্রসঙ্গে এ অভিনেত্রী কথা বলেছেন চারদিকের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাজহারুল ইসলাম তামিম

সম্প্রতি কোন নাটকে কাজ করলেন?
রুম্মান রশীদ খানের রচনায় ও সীমান্ত সজলের পরিচালনায় ‘ওয়াটার’ শিরোনামের একটি নাটকে অভিনয় করেছি। কয়েকদিন আগে নাটকটির শুটিং করেছি।

ওয়াটারনাটকের গল্প, আপনার চরিত্র কাজের অভিজ্ঞতা...

স্বামী-স্ত্রীকে কেন্দ্র করে ‘ওয়াটার’ নাটকের গল্প সাজানো হয়েছে। এ নাটকে স্বামীর সঙ্গে মানিয়ে চলার সংগ্রাম দেখা যাবে। নাটকে স্ত্রীর ভূমিকায় আমাকে এবং আমার স্বামীর ভূমিকায় তারিক আনাম খানকে দেখা যাবে। এই নাটকের মাধ্যমে তারিক আনামের সঙ্গে প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধে কাজ করলাম।
এর আগে বেশ কিছু নাটকে একসঙ্গে কাজ করলেও জুটি হয়ে কখনো কাজ করা হয়নি। এ রকম শক্তিশালী একজন অভিনেতার সঙ্গে পর্দা ভাগ করাটা বরাবরই সম্মানের, সেই সঙ্গে শিক্ষণীয়। ‘ওয়াটার’ নাটকের পাণ্ডলিপি, পরিচালনা থেকে শুরু করে পুরো টিমের মধ্যে ইতিবাচক একটি মনোভাব ছিল। তাই কাজটি করে আমরা সবাই তৃপ্ত। দর্শকরা বিনোদনের পাশাপাশি এ নাটক থেকে একটি বার্তাও পাবেন।

 নাটকটি কবে প্রচার হবে?
আসন্ন কোরবানির ঈদে একটি বেসরকারি চ্যানেলে নাটকটি প্রচার হবে।

 আপনি বললেন এই নাটকে পরিবারের গল্প দেখানো হবে। তবে এখনকার নাটকে পারিবারিক আবহ কম দেখা যাচ্ছে। আপনি কি মনে করেন পারিবারিক ঘরানার নাটক নির্মাণ বাড়ানো উচিত?
হ্যাঁ। অবশ্যই পারিবারিক ঘরানার নাটক বানানো বাড়ানো  উচিত। কারণ পরিবারের গল্পগুলো দর্শক অনেক পছন্দ করে। এটা সত্যি, অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যে নাটক বানাতে হচ্ছে।
অনেক সময় বাজেটের কথা চিন্তা করে দুই-তিনজনকে দিয়েই নাটক বানাচ্ছেন নির্মাতারা। তারপরও দর্শকের জন্যই তো আমরা সবাই কাজ করি। তাই তাদের ভালোলাগা বিবেচনা করে নাটকে পরিবারের গল্পগুলো তুলে ধরা উচিত।

আপনাকে নাটকে নিয়মিত দেখা যাচ্ছে না কেন?
একটা সময় রোজা/কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে আমার ২০-২৫টা নাটক প্রচারিত হতো। এখন চাইলেও আগের মতো ওতো বেশি কাজ করা সম্ভব না। কারণ অভিনয় ছাড়া আমার অন্যান্য ব্যস্ততাও আছে। সব ব্যস্ততার মাঝে এখনো মোটামুটি নিয়মিত কাজ করছি। তবে পরিমাণে হয়তো কম। আসলে ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই একটু বেছে বেছে কাজ করতাম। এখনো সেভাবেই কাজ করি। আমার সঙ্গে খাপ খায় এমন চরিত্র পেলেই শুধু কাজ করি।

 ইদানীং নাটকে অশ্লীল সংলাপ ব্যবহার করা হচ্ছে, কারণে গত ঈদের নাটক বেশ সমালোচিত হচ্ছে। বিষয়ে কি সতর্ক থাকা উচিত বলে মনে করেন?
অবশ্যই সংলাপের বিষয়ে স্ক্রিপ্ট রাইটার/নির্মাতাদের খেয়াল রাখা উচিত। অশ্লীল/বাজে সংলাপ ব্যবহার করলে বাংলাদেশের নাটকে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। নাটক দর্শকের জীবনে অনেক প্রভাব ফেলে। নাটকের চরিত্রের সঙ্গে দর্শক নিজের চরিত্রের মিল খুঁজতে চায়। তাই নাটকে এমন কিছু দেখানো বা বলা উচিত না, যেটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

মাজহারুল ইসলাম তামিম: 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *