তাজবিহ স্মরণ: অবশেষে চিরপ্রতিদ্বন্দী ব্রাজিলের মাঠেই দীর্ঘ ২৮ বছরের ‘শিরোপা না পাওয়ার আক্ষেপ’ ঘোচালো আর্জেন্টিনা। মারাকানায় কোপা আমেরিকার ফাইনালে আঞ্জেল ডি মারিয়ার প্রথমার্ধের গোলে ব্রাজিলকে ১-০ ব্যবধানে হারালো আলবিসেলেস্তেয়রা। আর টানা চার ফাইনাল হারার পর লিওনেল মেসিও পেয়ে যান সেই অধরা আর্ন্তজাতিক শিরোপার স্বাদ।
পেরুর বিপক্ষে সেমিফাইনালের একাদশ অপরিবর্তিত রেখেই ৪-২-৩-১ ফরমেশনে দল সাজান ব্রাজিলের কোচ তিতে। অন্যদিকে ডি মারিয়াকে একাদশে সুযোগ দিয়ে ৪-৩-৩ ফরমেশনে দল সাজান স্ক্যালোনি।
দীর্ঘদিন পর শুরুর একাদশে ফিরেই দারুণ খেলতে থাকেন প্যারিসের সেন্ট-জার্মেইনের মিডফিল্ডার ডি মারিয়া। ম্যাচের ২২তম মিনিটেই আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার ডি পলের লফটেড বল থেকে ব্রাজিলের গোলরক্ষক এডারসনকে বোকা বানিয়ে দুর্দান্ত ‘চিপ’ এ বল জালে জড়ান ডি মারিয়া। গোলের পর আর্জেন্টিনা যেন আরো আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে। মেসি, ডি মারিয়াদের একের পর এক আক্রমন প্রতিপক্ষের রক্ষণদুর্গে আঘাত হানতে থাকে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলশোধের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে ব্রজিল। বল পজিশনে এগিয়ে থেকে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে আর্জেন্টিনার গোলমুখে। কিন্তু অফসাইডে একটি গোল কাটা পড়ায় এবং ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতায় প্রতিবারই গোল বঞ্চিত হতে হয় সেলেসাওদের।
আর্জেন্টাইন ডিফেন্স এবং গোলকিপার মার্টিনেজের অসাধারণ দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আলবিসেলেস্তেয়রা।

আর্জেন্টিনা গত সাতটি কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্টের চারটিতেই রানার্সআপ ছিল, যার মধ্যে ২০০৪ এবং ২০০৭ সালে ব্রাজিলের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল। তবে দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর শেষ পর্যন্ত ১৫ তম মহাদেশীয় শিরোপা ঘরে তোলে স্ক্যালোনির শিষ্যরা। টুর্নামেন্ট সেরা প্লেয়ার হন যৌথভাবে ব্রাজিলের সুপারস্টার নেইমার এবং আর্জেন্টাইন জাদুকর লিওনেল মেসি।
