নরওয়ে বিশ্বের প্রথম বন উজাড় বন্ধ করা দেশ

আন্তর্জাতিক

চারদিক২৪  রিপোর্ট: 

নরওয়ে প্রথম দেশ যে পৃথিবীর মধ্যে বন উজাড় বন্ধ করেছে।  নরওয়ের এমন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে যে সরকার কোনভাবেই কোন কোম্পানিকে অনুমতি দিবে না যদি সেই কোম্পানিকে তাদের কাজের জন্য বিন্দু মাত্র গাছ কাটতে হয়। যুগান্তকারী এই পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলতে পারে।

জীব ও পরিবেশগত বৈচিত্র্য রক্ষার জন্য এই অঙ্গীকার সুপারিশ করা হয় নরওয়ের সংসদীয় সংগঠনের কাছে। বর্তমানে বন উজাড় পরিসংখ্যান অনুযায়ী পুরা পৃথিবীর ঘনবর্ষণ বনাঞ্চল একেবারে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে ১০০ বছরের মধ্যে। এবং অনেক প্রজাতির প্রাণী বিলুপ্তও হয়ে যেতে পারে আবাস স্থান না থাকার ফলে।

গাছপালা গ্রীন হউসের ভারসাম্য রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, এবং পরিবেশ দূষণকারী গ্যাস পরিবেশের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে। বন উজাড় প্রধান কারণ হচ্ছে কৃষিকাজ , কৃষক প্রায় তাদের জমি এবং গাছপালা কাতে ফেলে তাদের বসবাসের জায়গার জন্য। যখন কৃষক তাদের জমি থেকে গাছ কেটে ফেলে এবং আগুন ধরিয়ে সব পুরিয়ে ফেলে তখন গাছের কার্বন ডাইঅক্সাইড গাছ থেকে বের হয় আর এটিই হোল একটি বড় উপাদান আবহাওয়া পরিবর্তন হওয়ার জন্য।

নরওয়ে মোটা অংকের টাকা দান করেছে বন উজাড় বন্ধ করার জন্য ব্রাজিল, লিবেরিয়া, এবং ইন্দনেশিয়ায়। ব্রাজিলের অ্যামাজনে বন উজাড় বন্ধ করার জন্য নরওয়ে ১বিলিয়ন ডলার দিয়েছেন। ২০১৫ সালে দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলো ৩৩,০০০ মাইল বন রক্ষা করে এবং ৩.২ বিলিয়ন কার্বন ডাইঅক্সাইড থেকে পরিবেশকে রক্ষা করে।

“এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি জয় ঘনবর্ষণ বনাঞ্চলগুলোকে বাঁচানোর জন্য। গত কয়েক বছর ধরে কতোগুলো কোম্পানি প্রতিজ্ঞা করেছে তারা কোন কিছু বা কোন জিনিস তৈরি করবে না বা বানাবে না যেটা বন এর জন্য ক্ষতিকর “, নিলস হারমান রানুম রেইন ফরেস্ট ফাউন্ডেশন বিব্রেতি দিয়েছেন তাদের একটি সাইটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *