আব্দুল্লাহ আল মামুন:
প্রতীতির মুখোমুখি চারদিক২৪’র আব্দুল্লাহ আল মামুন।
চারদিক২৪: প্রথমেই তোমার পছন্দের দিকগুলো বলো?
প্রতীতি: পছন্দ করি গান গাইতে তবে নাচ করতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। এছাড়া আবৃত্তি, অভিনয়, ছবি আঁকা, বই পড়া,নতুন কিছু জানা, দেশ ভ্রমণ করা,মানুষের জন্য ভালো কিছু করা সহ আরও অনেক কিছুই ভালো লাগে।সত্যিকার অর্থে ভালো লাগারতো কোনো শেষ নেই তাই তৃপ্তির সব কিছুই ভালো লাগে।
চারদিক২৪ : চলার পথে কার বেশি সহায়তা পাও?
প্রতীতি : চলার পথে সবসময় পাশে থাকেন আমার মা। সাথে সাথে অনুপ্রাণিত করে আমার পরিবার, বন্ধু, আমার নাচের গুরু ওয়ার্দা রিহাব স্যার, এম আর ওয়াসেক স্যার এবং আবৃওি শিক্ষক ফয়জুল্লাহ সাঈদ স্যার।
চারদিক২৪ : বড় হয়ে কি হতে চাও?
প্রতীতি : বড় হয়ে আমি রাষ্ট্রদূত হতে চাই। কারণ এই পেশা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং এবং মজাদার।দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব সম্পর্ক তৈরি করতে সহায়ক ভুমিকায় থাকা যায় এবং সম্মানজনক জায়গা এটি।এছাড়াও অভিনয় জগতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ইচ্ছা আছে।
চারদিক২৪ : এখন পর্যন্ত অর্জনগুলো কি কি তোমার?
প্রতীতি : বাংলাদেশ শিশু একাডেমি থেকে গোল্ডেন ম্যাডেল প্রাপ্ত হয়েছি জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা ২০১৮ তে।শিশু একাডেমি এবং শিল্পকলা একাডেমী থেকে সরকারি সুযোগে ইন্ডিয়া এবং তুরস্ক ভ্রমণ করেছি দুইবার। বেশ কিছু অরগানাইজেশন থেকে সম্মানোনা প্রাপ্ত হয়েছি।এছাড়া নিয়মিত নাচ নিয়ে সরকারি আয়োজনে, টেলিভিশনে, মঞ্চে কাজ করার সুযোগকেও অর্জন মনে করি।
চারদিক২৪: মজার কোনো অভিজ্ঞতা যদি বলতে?
প্রতীতি : তুরস্কে রাষ্ট্রপতি আমাকে তার পাশে বসিয়ে ডিনার করিয়েছিলেন আর সেই সময় এত মিষ্টি খেতে হয়েছিলো তুরস্কতে যে বাংলাদেশে এয়ারপোর্টে নেমে আমি প্রথম ঝাল খাবার খুজেছি।আর সেই সময় সম্মানিত রাষ্ট্রপতি এড. আব্দুল হামিদ আমাকে কোলে বসিয়ে ছবি তুলে ছিলেন। তখন খুব অবাক হহয়েছিলাম।
চারদিক২৪ : মানুষের জীবনে পড়াশোনা আর শিল্পকে কিভাবে দেখো?
প্রতীতি: মা বলে একজন মানুষ কে নিজ সাধ্যমতো সব করা উচিৎ। পড়াশোনা সময় মতন করে, শিল্পকেও সময় দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। এতে এক প্রকার ভালোলাগা কাজ করবে। যা জীবনকে সুন্দর করে তুলে। এক কথায় যার যা ভালো লাগে তাই করা উচিৎ।
চারদিক২৪ : আমাদের সময় দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
প্রতীতি : আপনাদেরকেও অনেক ধন্যবাদ আমাকে কথা বলার সুযোগ করে দিয়েছেন বলে।
আব্দুল্লাহ আল মামুন: স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের ৬০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।
