ছাইফুল ইসলাম মাছুম:
বাংলাদেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার অন্যতম পথিকৃত মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের সাবেক অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও বর্তমানে ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম হেল্প ডেস্ক এর বাংলাদেশ প্রধান বদরুদ্দোজা বাবু। তিনি বাংলাদেশের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার সমসাময়িক বাস্তবতা, পথচলার গল্প ও ভবিষ্যত স্বপ্নের কথা বলেছেন। সাক্ষাতকার নিয়েছেন ছাইফুল ইসলাম মাছুম।
আপনার সাংবাদিকতার শুরুর গল্প জানতে চাই।
আমি আসলে হুট করেই সাংবাদিকতায় চলে আসি। ছোটবেলা সাংবাদিকতা নিয়ে স্বপ্ন ইচ্ছা তেমন কিছু ছিল না। আমার মনে হয়েছে, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে যে সাবজেক্ট রয়েছে, তার মধ্যে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়ে আনন্দ পেতে পারি। তবে ভর্তি হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে শিক্ষকদের মুখে সাংবাদিকতার গল্প শুনে সাংবাদিকতার প্রেমে পড়তে থাকি। তখন আমার সাংবাদিকতার ইচ্ছে জাগে, সিধান্ত নিই আমি সাংবাদিকতা করবো। আমি প্রথমে সাপ্তাহিক ২০০০ এর সঙ্গে যোগাযোগ করে, সেখানে নিউজ রুমে কাজ করার সুযোগ পাই। সংবাদের গভীরে যাওয়া, একটা ঘটনাকে বিভিন্ন ভাবে চিন্তা করা, এসব ‘দুই হাজারের’ সম্পাদক সাহাদাত হোসেনের কাছ থেকে শিখেছি। সাপ্তাহিক ২০০০ এর সহকর্মীরা ছিল খুবই ডেডিকেটেট। আমি নিজেকে সুভাগ্যবান মনে করছি, সাপ্তাহিক ২০০০ এ কাজ শুরু করার কারণেই আমি হয়তো আজকে এই অবস্থানে আসতে পেরেছি। পরে আমি সমকালে গিয়েছি। পরে ভাবলাম টেলিভিশনে যাওয়া দরকার, তখন আমি এনটিভিতে গিয়েছি।
আমি আসলে হুট করেই সাংবাদিকতায় চলে আসি। ছোটবেলা সাংবাদিকতা নিয়ে স্বপ্ন ইচ্ছা তেমন কিছু ছিল না। আমার মনে হয়েছে, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে যে সাবজেক্ট রয়েছে, তার মধ্যে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়ে আনন্দ পেতে পারি। তবে ভর্তি হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে শিক্ষকদের মুখে সাংবাদিকতার গল্প শুনে সাংবাদিকতার প্রেমে পড়তে থাকি। তখন আমার সাংবাদিকতার ইচ্ছে জাগে, সিধান্ত নিই আমি সাংবাদিকতা করবো। আমি প্রথমে সাপ্তাহিক ২০০০ এর সঙ্গে যোগাযোগ করে, সেখানে নিউজ রুমে কাজ করার সুযোগ পাই। সংবাদের গভীরে যাওয়া, একটা ঘটনাকে বিভিন্ন ভাবে চিন্তা করা, এসব ‘দুই হাজারের’ সম্পাদক সাহাদাত হোসেনের কাছ থেকে শিখেছি। সাপ্তাহিক ২০০০ এর সহকর্মীরা ছিল খুবই ডেডিকেটেট। আমি নিজেকে সুভাগ্যবান মনে করছি, সাপ্তাহিক ২০০০ এ কাজ শুরু করার কারণেই আমি হয়তো আজকে এই অবস্থানে আসতে পেরেছি। পরে আমি সমকালে গিয়েছি। পরে ভাবলাম টেলিভিশনে যাওয়া দরকার, তখন আমি এনটিভিতে গিয়েছি।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার দিকে কীভাবে ঝুঁকলেন?
আমার কাছে মনে হয়েছে একজন সাংবাদিক কখনো এক্সিকিউটিভ নই, কেউ তথ্য দিলো আমি শুধু নিয়ে আসলাম। আমার কাছে মনে হয়েছে, সাংবাদিকতার আসল সৌর্ন্দয্য অনুসন্ধানে। আমরা সাংবাদিকতা মানুষের জন্য করি, সমাজের জন্য করি। সেটা আসলে আনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় সম্ভব। এটা যখন বুঝতে পেরেছি, তখন আমার বিশেষ রির্পোট প্রত্যেকটি আমি আনুসন্ধানী প্রতিবেদন করার চেষ্ঠা করেছি। আপনি যদি আমার রির্পোট গুলো দেখেন, তখন বুঝতে পারবেন, প্রত্যেকটি রির্পোট, আগের রির্পোটকে ছাড়িয়ে যেতে চেষ্ঠা করেছি। হয়তো প্রথম রির্পোটে যে দুর্বলতা ছিল, পরবর্তী রিপোর্টে সেটা কাটিয়ে উঠেছি। তবে ২০১০ সাল থেকে মাছারাঙা টেলিভিশনে আমি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরোদমে শুরু করেছি। হাসপাতাল নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেন করেছি। ওই প্রতিবেদন আমাকে একাধিক পুরষ্কার এনে দিয়েছে। তখন আমার ইচ্ছাটা আরো বেশি বেড়েছে। টেলিভিশনে সাধারণত দুই তিন মিনিটের রির্পোট হয়, সেখানে আমি ১২ মিনিটের উপরে রির্পোট করেছি। এটা বেশ জনপ্রিয়ও হয়েছে।
আমার কাছে মনে হয়েছে একজন সাংবাদিক কখনো এক্সিকিউটিভ নই, কেউ তথ্য দিলো আমি শুধু নিয়ে আসলাম। আমার কাছে মনে হয়েছে, সাংবাদিকতার আসল সৌর্ন্দয্য অনুসন্ধানে। আমরা সাংবাদিকতা মানুষের জন্য করি, সমাজের জন্য করি। সেটা আসলে আনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় সম্ভব। এটা যখন বুঝতে পেরেছি, তখন আমার বিশেষ রির্পোট প্রত্যেকটি আমি আনুসন্ধানী প্রতিবেদন করার চেষ্ঠা করেছি। আপনি যদি আমার রির্পোট গুলো দেখেন, তখন বুঝতে পারবেন, প্রত্যেকটি রির্পোট, আগের রির্পোটকে ছাড়িয়ে যেতে চেষ্ঠা করেছি। হয়তো প্রথম রির্পোটে যে দুর্বলতা ছিল, পরবর্তী রিপোর্টে সেটা কাটিয়ে উঠেছি। তবে ২০১০ সাল থেকে মাছারাঙা টেলিভিশনে আমি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরোদমে শুরু করেছি। হাসপাতাল নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেন করেছি। ওই প্রতিবেদন আমাকে একাধিক পুরষ্কার এনে দিয়েছে। তখন আমার ইচ্ছাটা আরো বেশি বেড়েছে। টেলিভিশনে সাধারণত দুই তিন মিনিটের রির্পোট হয়, সেখানে আমি ১২ মিনিটের উপরে রির্পোট করেছি। এটা বেশ জনপ্রিয়ও হয়েছে।
গণমাধ্যমে আপনার বেশ কিছু অনুসন্ধানী প্রতিবেদন আলোচিত হয়েছে। সে গুলো সম্পর্কে যদি বলেন।
আমার করা রির্পোট গুলোর মধ্যে প্রথম দিকে হাসপাতালে যন্ত্রপাতি কেনাকাটা নিয়ে অনুসন্ধানী রির্পোট খুব আলোচিত হয়েছে। সেটা করেছি পাবনা জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে। পরে বিস্তারিত তথ্য সমেত হাসপাতাল নিয়ে আরো দুটি প্রতিবেদন করি। ওই প্রতিবেদন ঢাকা রির্পোটার ইউনিটি পুরষ্কার, দুদুক পুরষ্কার ও টিআইবি পুরষ্কার এনে দেয়।
ড্রেজার কেনাকাটার অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন করি। কেনাকাটায় কিছু গ্রুপ ঢুকে গিয়েছিল যারা নিন্ম মানের ড্রেজার দিচ্ছিল। আমি প্রতিবেদনে প্রমান করেছি, উচ্চমূল্যে যে ড্রেজার কেনা হচ্ছে, তা নিম্মমানের যন্ত্রপাতি দিয়ে বাংলাদেশেই তৈরি করা হচ্ছে। ওই প্রতিবেদনের জন্য পাঁচশত কোটি টাকার মানহানির মামলাতেও পড়তে হয়েছে। হাওড় নিয়ে একটা অনুসন্ধানী রির্পোট করেছি। হাওড়ে বাঁধ গুলো কেন ভেঙ্গে যায়, ঠিকাদারেরা কেন নামমাত্র কাজ করে। এছাড়া প্রাইভেট ইউনির্ভাসিটির অনিয়ম নিয়ে, কলেজ গুলোতে জিপিএ ৫ কিভাবে বিক্রি হচ্ছে সেটা নিয়ে। সরকারি অফিসে কিভাবে দুর্নীতি হয় সেটা নিয়ে গৌরিসেন শিরোনামে বিশেষ প্রতিবেদন বেশ আলোচিত হয়েছিল।
আমার করা রির্পোট গুলোর মধ্যে প্রথম দিকে হাসপাতালে যন্ত্রপাতি কেনাকাটা নিয়ে অনুসন্ধানী রির্পোট খুব আলোচিত হয়েছে। সেটা করেছি পাবনা জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে। পরে বিস্তারিত তথ্য সমেত হাসপাতাল নিয়ে আরো দুটি প্রতিবেদন করি। ওই প্রতিবেদন ঢাকা রির্পোটার ইউনিটি পুরষ্কার, দুদুক পুরষ্কার ও টিআইবি পুরষ্কার এনে দেয়।
ড্রেজার কেনাকাটার অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন করি। কেনাকাটায় কিছু গ্রুপ ঢুকে গিয়েছিল যারা নিন্ম মানের ড্রেজার দিচ্ছিল। আমি প্রতিবেদনে প্রমান করেছি, উচ্চমূল্যে যে ড্রেজার কেনা হচ্ছে, তা নিম্মমানের যন্ত্রপাতি দিয়ে বাংলাদেশেই তৈরি করা হচ্ছে। ওই প্রতিবেদনের জন্য পাঁচশত কোটি টাকার মানহানির মামলাতেও পড়তে হয়েছে। হাওড় নিয়ে একটা অনুসন্ধানী রির্পোট করেছি। হাওড়ে বাঁধ গুলো কেন ভেঙ্গে যায়, ঠিকাদারেরা কেন নামমাত্র কাজ করে। এছাড়া প্রাইভেট ইউনির্ভাসিটির অনিয়ম নিয়ে, কলেজ গুলোতে জিপিএ ৫ কিভাবে বিক্রি হচ্ছে সেটা নিয়ে। সরকারি অফিসে কিভাবে দুর্নীতি হয় সেটা নিয়ে গৌরিসেন শিরোনামে বিশেষ প্রতিবেদন বেশ আলোচিত হয়েছিল।
প্রতিবেদনগুলো প্রকাশের পর কেমন ফিডব্যাক পেতেন।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় জবাবদিহিতা একটা বড় বিষয়। প্রতিবেদন গুলোতে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পেরেছি। নর্থ সাউথের মতো বিশ^বিদ্যালয় আমার রিপোর্টের পর ঘটা করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। আমরা মূল প্রশ্ন করতে চেয়েছিলাম, শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি এতো বেশি কেন। সেটার জবাব তারা দিতে হয়েছে। সরকারি অফিসের দুর্নীতি নিয়ে গৌরিসেন প্রকাশের পর অনেক কর্মকর্তার চাকরী চলে গেছে। আমরা তো এমটা চাই, এই প্রতিবেদনের কারণে অনিয়মটা কমবে, দুর্নীতি কমবে। ভালো ইমফেক্ট তৈরি হলে, সেটা নিজের কাছে ভালো লাগে।
আর দর্শকদের কাছেও অনেক প্রতিক্রিয়া পায়। অনুসন্ধানের ইউটিউবে কমেন্টে গেলে দেখবেন অনেক মানুষ আমার জন্য দোয়া করে। কেউ কেউ আশংকা প্রকাশ করে ইউটিউবে কমেন্ট করে, আপনার অবস্থা তো, সাগর রুনির মতো হয়ে যাবে।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় জবাবদিহিতা একটা বড় বিষয়। প্রতিবেদন গুলোতে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পেরেছি। নর্থ সাউথের মতো বিশ^বিদ্যালয় আমার রিপোর্টের পর ঘটা করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। আমরা মূল প্রশ্ন করতে চেয়েছিলাম, শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি এতো বেশি কেন। সেটার জবাব তারা দিতে হয়েছে। সরকারি অফিসের দুর্নীতি নিয়ে গৌরিসেন প্রকাশের পর অনেক কর্মকর্তার চাকরী চলে গেছে। আমরা তো এমটা চাই, এই প্রতিবেদনের কারণে অনিয়মটা কমবে, দুর্নীতি কমবে। ভালো ইমফেক্ট তৈরি হলে, সেটা নিজের কাছে ভালো লাগে।
আর দর্শকদের কাছেও অনেক প্রতিক্রিয়া পায়। অনুসন্ধানের ইউটিউবে কমেন্টে গেলে দেখবেন অনেক মানুষ আমার জন্য দোয়া করে। কেউ কেউ আশংকা প্রকাশ করে ইউটিউবে কমেন্ট করে, আপনার অবস্থা তো, সাগর রুনির মতো হয়ে যাবে।
সাংবাদিকতা করতে গিয়ে মজার কিংবা তিক্ত অভিজ্ঞতার বিষয়ে বলেন।
মজার অভিজ্ঞতা যেমন আছে আবার তিক্ত অভিজ্ঞতাও আছে। একবার, পজেটিভ ইন্টারভিউ করার কথা বলে এক অফিসে গিয়েছি, আমাকে চিনে পেলার পর কোন ভাবেই ইন্টারভিউ দিতে রাজি হয়নি। ওই কর্মকর্তা বলছেন, আপনি তো কখনো পজেটিভ নিউজ করেন না, আপনি নেগেটিভ নিউজ করেন।
অনেক জায়গায় রির্পোট করতে গিয়ে মানুষের খুব ভালোবাসাও পেয়েছি। প্রত্যেকটা রির্পোটে বিভিন্ন তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে। কোনটা রির্পোট বন্ধ করার জন্য চাপ এসেছে, সেটা সামাল দিতে হয়েছে। কোনটা আবার ফিল্ডে গিয়ে হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। সব খারাপ অভিজ্ঞতা ওভারকাম করে আমাদের রিপোর্ট গুলো নিয়ে আসতে হয়েছে।
মজার অভিজ্ঞতা যেমন আছে আবার তিক্ত অভিজ্ঞতাও আছে। একবার, পজেটিভ ইন্টারভিউ করার কথা বলে এক অফিসে গিয়েছি, আমাকে চিনে পেলার পর কোন ভাবেই ইন্টারভিউ দিতে রাজি হয়নি। ওই কর্মকর্তা বলছেন, আপনি তো কখনো পজেটিভ নিউজ করেন না, আপনি নেগেটিভ নিউজ করেন।
অনেক জায়গায় রির্পোট করতে গিয়ে মানুষের খুব ভালোবাসাও পেয়েছি। প্রত্যেকটা রির্পোটে বিভিন্ন তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে। কোনটা রির্পোট বন্ধ করার জন্য চাপ এসেছে, সেটা সামাল দিতে হয়েছে। কোনটা আবার ফিল্ডে গিয়ে হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। সব খারাপ অভিজ্ঞতা ওভারকাম করে আমাদের রিপোর্ট গুলো নিয়ে আসতে হয়েছে।
বাংলাদেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় কি কি চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে অপনি মনে করেন?
বাংলাদেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে তথ্য না পাওয়া। একটা হচ্ছে গোপনীয় তথ্য, অন্যটা উন্মুক্ত তথ্য। এখানে গোপনীয় তথ্য তো অনুসন্ধান করতে হবে, তবে উন্মুক্ত তথ্য পাওয়াও বেশ কঠিন। আপনার কাছে যদি সড়ক দূর্ঘটনার সব তথ্য থাকে, তাহলে আপনি অনুসন্ধান করে বের করতে পারবেন, বাংলাদেশের কোন কোন স্থানে সড়ক দূর্ঘটনা বেশি হয়। তখন আপনি অনুসন্ধান করে বের করতে পারবেন, এখানে দূর্ঘটনার রহস্য কি? আপনি বলতে পারবেন, এখানে এই দূর্ঘটনা, এই কারণে হয়। এই তথ্য বের করতে পারলে, হয়তো সমাধানও হবে। কোন তথ্যই যদি না পান, তাহলে রির্পোট করবেন কিভাবে?
আরেকটা বিষয় আমাদের মধ্যে সেল্ফ সেন্সরশীপ অনেক বেশি। রির্পোটারের চাইতে, নিউজ ম্যানাজারদের মাঝে এই প্রবনতা অনেক বেশি। সমসাময়িক বাস্তবতা সব সময় ছিল। হয়তো কম বেশি। কিন্তু পার্থক্য হচ্ছে এখন অনেক সাংবাদিক গিয়ে স্বেচ্ছায় আত্মসর্মাপন করে। এটা আগে ছিল না। এই রির্পোট করলে সরকারও খুশি হতে পারে, বলতে পারে বেশ ভালো তথ্য তুলে এনেছে। কিন্তু নিউজ ম্যানেজার মনে করে এই রির্পোট দেওয়া যাবে না, এতে কোন পক্ষ হয়তো ক্ষেপে যাবে।
আর কর্পোরেট চাপ তো আছেই। আপনার মালিক যদি কর্পোরেট হয় তাহলে তো কথায় নেই। তার পার্টনার, বন্ধু বান্ধব এরা তো চাপ দিবেই। সব দেশেই এমন কর্পোরেট চাপ আছে, তবে এটা বাংলাদেশে খুব নগ্ন ভাবেই হয়।
বাংলাদেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে তথ্য না পাওয়া। একটা হচ্ছে গোপনীয় তথ্য, অন্যটা উন্মুক্ত তথ্য। এখানে গোপনীয় তথ্য তো অনুসন্ধান করতে হবে, তবে উন্মুক্ত তথ্য পাওয়াও বেশ কঠিন। আপনার কাছে যদি সড়ক দূর্ঘটনার সব তথ্য থাকে, তাহলে আপনি অনুসন্ধান করে বের করতে পারবেন, বাংলাদেশের কোন কোন স্থানে সড়ক দূর্ঘটনা বেশি হয়। তখন আপনি অনুসন্ধান করে বের করতে পারবেন, এখানে দূর্ঘটনার রহস্য কি? আপনি বলতে পারবেন, এখানে এই দূর্ঘটনা, এই কারণে হয়। এই তথ্য বের করতে পারলে, হয়তো সমাধানও হবে। কোন তথ্যই যদি না পান, তাহলে রির্পোট করবেন কিভাবে?
আরেকটা বিষয় আমাদের মধ্যে সেল্ফ সেন্সরশীপ অনেক বেশি। রির্পোটারের চাইতে, নিউজ ম্যানাজারদের মাঝে এই প্রবনতা অনেক বেশি। সমসাময়িক বাস্তবতা সব সময় ছিল। হয়তো কম বেশি। কিন্তু পার্থক্য হচ্ছে এখন অনেক সাংবাদিক গিয়ে স্বেচ্ছায় আত্মসর্মাপন করে। এটা আগে ছিল না। এই রির্পোট করলে সরকারও খুশি হতে পারে, বলতে পারে বেশ ভালো তথ্য তুলে এনেছে। কিন্তু নিউজ ম্যানেজার মনে করে এই রির্পোট দেওয়া যাবে না, এতে কোন পক্ষ হয়তো ক্ষেপে যাবে।
আর কর্পোরেট চাপ তো আছেই। আপনার মালিক যদি কর্পোরেট হয় তাহলে তো কথায় নেই। তার পার্টনার, বন্ধু বান্ধব এরা তো চাপ দিবেই। সব দেশেই এমন কর্পোরেট চাপ আছে, তবে এটা বাংলাদেশে খুব নগ্ন ভাবেই হয়।
বাংলাদেশের অধিকাংশ গণমাধ্যমে চাকুরী হারানোর ঝুকিঁ, বিলম্বে বেতন ভাতা পাওয়া সহ নানা বিড়ম্বনা রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকতা কতটা পেশা হয়ে উঠছে?
বাংলাদেশের সাংবাদিকতা সেই অর্থে পেশা হয়ে উঠেনি। কারণ বাংলাদেশের টেলিভিশন বলেন আর পত্রিকা বলেন কোনটা ইনিন্সিটিউট হিসেবে দাড়াঁয়নি। যে যার ইচ্ছে মতো সাংবাদিকদের নিয়ে খেলাধুলা করেন। ওয়েজর্বোড বলেন আর চাকরীর নিশ্চয়তা বলেন, এসব বিষয়ে যে সাংবাদিক নেতাদের ভূমিকা রাখার কথা তাদের অবস্থান স্বচ্ছ না। এটা প্রকৃত সাংবাদিকদের তেমন কাজে আসে না।
কোন পত্রিকা টেলিভিশন শক্ত অবস্থানে নেই। সব খানে ছাটাই চলছে। সাংবাদিকেরা সংগ্রামের মধ্যে আছে। সাংবাদিকতা যে পেশা হিসেবে দাঁড়ায়নি তার পিছনে বড় কারণ মালিকানা। মালিকানায় যারা আছে, তারা আসলে কি চায়, তারা নিজেরাই জানে না। তারা কি মাধ্যমটাকে দাঁড় করাতে চায়, নাকি সুযোগ সুবিধা চায়, নাকি নিজেদের সেভ করার জন্য গণমাধ্যমকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। অনেকে ক্ষমতায় থাকতে কিংবা ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে একটা পত্রিকা বা টেলিভিশন নিয়ে আসে। যখন লস আসতে থাকে, তখন হাল ছেড়ে দেয়। ফলে এখানে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি গণমাধ্যম, অনেক মানহীন সাংবাদিকতাও ঢুকে পড়ছে। এসব কারণে পুরো ইন্ড্রাস্টি ঝুকিঁর মুখে পড়েছে।
বাংলাদেশের সাংবাদিকতা সেই অর্থে পেশা হয়ে উঠেনি। কারণ বাংলাদেশের টেলিভিশন বলেন আর পত্রিকা বলেন কোনটা ইনিন্সিটিউট হিসেবে দাড়াঁয়নি। যে যার ইচ্ছে মতো সাংবাদিকদের নিয়ে খেলাধুলা করেন। ওয়েজর্বোড বলেন আর চাকরীর নিশ্চয়তা বলেন, এসব বিষয়ে যে সাংবাদিক নেতাদের ভূমিকা রাখার কথা তাদের অবস্থান স্বচ্ছ না। এটা প্রকৃত সাংবাদিকদের তেমন কাজে আসে না।
কোন পত্রিকা টেলিভিশন শক্ত অবস্থানে নেই। সব খানে ছাটাই চলছে। সাংবাদিকেরা সংগ্রামের মধ্যে আছে। সাংবাদিকতা যে পেশা হিসেবে দাঁড়ায়নি তার পিছনে বড় কারণ মালিকানা। মালিকানায় যারা আছে, তারা আসলে কি চায়, তারা নিজেরাই জানে না। তারা কি মাধ্যমটাকে দাঁড় করাতে চায়, নাকি সুযোগ সুবিধা চায়, নাকি নিজেদের সেভ করার জন্য গণমাধ্যমকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। অনেকে ক্ষমতায় থাকতে কিংবা ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে একটা পত্রিকা বা টেলিভিশন নিয়ে আসে। যখন লস আসতে থাকে, তখন হাল ছেড়ে দেয়। ফলে এখানে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি গণমাধ্যম, অনেক মানহীন সাংবাদিকতাও ঢুকে পড়ছে। এসব কারণে পুরো ইন্ড্রাস্টি ঝুকিঁর মুখে পড়েছে।
সাংবাদিকতাকে বলা হয় থ্যাংস লেস জব…
এটা ঠিক। সাংবাদিকতা এমন একটা পেশা প্রতিদিনই আপনাকে পারফমেন্স দেখাতে হবে। আগে কি রির্পোট করেছেন সেটা বিষয় না, আপনি এখন যে রির্পোটটা করেছেন, সেটা দিয়ে আপনাকে অফিস মূল্যায়ন করবে। অনেক ক্ষেত্রে পাঠক, শ্রোতারাও মূল্যায়ন করে। সাংবাদিকদের পাঠক দর্শক থেকে সবাই জাজমেন্ট করে। আপনি ভালো করছেন নাকি খারাপ করছেন এটা সবাই দেখতে পারে। এটা দৃশ্যমান। আমরা এমন অনেক বড় বড় সাংবাদিকদের দেখি, যাদের দিনের পর দিন কোন রিপোর্ট নেই।
এটা ঠিক। সাংবাদিকতা এমন একটা পেশা প্রতিদিনই আপনাকে পারফমেন্স দেখাতে হবে। আগে কি রির্পোট করেছেন সেটা বিষয় না, আপনি এখন যে রির্পোটটা করেছেন, সেটা দিয়ে আপনাকে অফিস মূল্যায়ন করবে। অনেক ক্ষেত্রে পাঠক, শ্রোতারাও মূল্যায়ন করে। সাংবাদিকদের পাঠক দর্শক থেকে সবাই জাজমেন্ট করে। আপনি ভালো করছেন নাকি খারাপ করছেন এটা সবাই দেখতে পারে। এটা দৃশ্যমান। আমরা এমন অনেক বড় বড় সাংবাদিকদের দেখি, যাদের দিনের পর দিন কোন রিপোর্ট নেই।
আপনি প্রথম দিকে সংবাদপত্রে, পরে টেলিভিশনে কাজ করেছেন। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য কোনটাকে ভালো মনে করেন?
আমি টেলিভিশনে সর্বশেষ কাজ করেছি। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য টেলিভিশনকেই সাপোর্ট করবো। টেলিভিশনে প্রতিবেদন দেখার পর যে ইমপেক্ট হয়, সংবাদপত্রে ওটা তেমন হয় না। মানুষ ভিজুয়াল দেখতে চায়। তবে পত্রিকার চেয়ে টেলিভিশনে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করাটা অনেক কঠিন। আপনি এমনিতে গেলে সবাই কথা বলবে, কিন্তু ক্যামরা নিয়ে গেলে গোপন কোন বিষয়ে কথা বলতে চাইবে না। পত্রিকা থেকে গেলে কিছু তথ্য পাবেন, ইন্টারভিউ পাবেন। টেলিভিশনের ক্যামেরা নিয়ে গেলে আপনাকে ভিতরে ঢুকতেই দিবে না।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার কারণে অনেক যোগ্য, প্ররিশ্রমী সংবাদকর্মীরাও চাকরী হারাচ্ছেন। মিডিয়া পাড়ায় আপনার বিষয়েও এমন আলোচনা চালু আছে।
বাস্তবে কথা হচ্ছে মাছরাঙা আমাকে ছাড়তে হয়েছে। কারো চাপে কিনা সেটা আমি জানি না। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার কারণে চাকরী হারাচ্ছে কিনা সেটা জানি না। তবে প্রতিনিয়ত সাংবাদিকেরা চাকরী হারাচ্ছে। অনেক সময় দেখা যায়, কোন চাপই আসেনি, কিন্তু আপনি চাপ ফিল করছেন, এই রিপোর্টারকে রাখলে আপনার সমস্যা হতে পারে। অথবা কেউ মনক্ষুন হতে পারে এমনটা ভেবে।
আমি টেলিভিশনে সর্বশেষ কাজ করেছি। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য টেলিভিশনকেই সাপোর্ট করবো। টেলিভিশনে প্রতিবেদন দেখার পর যে ইমপেক্ট হয়, সংবাদপত্রে ওটা তেমন হয় না। মানুষ ভিজুয়াল দেখতে চায়। তবে পত্রিকার চেয়ে টেলিভিশনে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করাটা অনেক কঠিন। আপনি এমনিতে গেলে সবাই কথা বলবে, কিন্তু ক্যামরা নিয়ে গেলে গোপন কোন বিষয়ে কথা বলতে চাইবে না। পত্রিকা থেকে গেলে কিছু তথ্য পাবেন, ইন্টারভিউ পাবেন। টেলিভিশনের ক্যামেরা নিয়ে গেলে আপনাকে ভিতরে ঢুকতেই দিবে না।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার কারণে অনেক যোগ্য, প্ররিশ্রমী সংবাদকর্মীরাও চাকরী হারাচ্ছেন। মিডিয়া পাড়ায় আপনার বিষয়েও এমন আলোচনা চালু আছে।
বাস্তবে কথা হচ্ছে মাছরাঙা আমাকে ছাড়তে হয়েছে। কারো চাপে কিনা সেটা আমি জানি না। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার কারণে চাকরী হারাচ্ছে কিনা সেটা জানি না। তবে প্রতিনিয়ত সাংবাদিকেরা চাকরী হারাচ্ছে। অনেক সময় দেখা যায়, কোন চাপই আসেনি, কিন্তু আপনি চাপ ফিল করছেন, এই রিপোর্টারকে রাখলে আপনার সমস্যা হতে পারে। অথবা কেউ মনক্ষুন হতে পারে এমনটা ভেবে।
আপনি তো সাংবাদিকতা ছাড়লেন। এখন অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা নিয়ে কি ভাবছেন?
এখন অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা নিয়ে কাজ করছি। এমআরডিআই সংস্থার মাধ্যমে মিডয়ার সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছি। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা আরো বাড়ানোর জন্য কাজ করছি। এমআরডিআই বাংলাদেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য হেল্প ডেস্ক চালু করেছে, বাংলাদেশে হেল্পডেস্ক এর প্রধান হিসেবে দ্বায়িত্বে আছি। এখান থেকে আমরা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার আইডিয়া, গাইডলাইন, অনুসন্ধানের প্রক্রিয়াসহ নানা বিষয়ে সাংবাদিকদের সহযোগিতা প্রদান করি। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা নিয়ে বড় পরিসরে কাজ করার জন্যই আমি এখানে এসেছি।
এখন অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা নিয়ে কাজ করছি। এমআরডিআই সংস্থার মাধ্যমে মিডয়ার সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছি। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা আরো বাড়ানোর জন্য কাজ করছি। এমআরডিআই বাংলাদেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য হেল্প ডেস্ক চালু করেছে, বাংলাদেশে হেল্পডেস্ক এর প্রধান হিসেবে দ্বায়িত্বে আছি। এখান থেকে আমরা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার আইডিয়া, গাইডলাইন, অনুসন্ধানের প্রক্রিয়াসহ নানা বিষয়ে সাংবাদিকদের সহযোগিতা প্রদান করি। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা নিয়ে বড় পরিসরে কাজ করার জন্যই আমি এখানে এসেছি।
সাংবাদিকতা পেশাকে অনেকে নেশার সঙ্গে তুলনা করে। আপনি সাংবাদিকতায় আবার ফিরতে চান কিনা?
এ পেশায় আমি আবার ফিরতে চাই এবং আমি অবশ্যই ফিরবো। এখনও বিভিন্ন টেলিভিশন থেকে ভালো ভালো অফার পাচ্ছি। কিন্তু আমি চাচ্ছি এমআরডিআই এর মাধ্যমে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় সক্ষমতা আরো বাড়াতে এবং আন্তর্জাতিক বৃহত্তর পরিসরে যোগাযোগ তৈরি করতে। এখানে দুই বছরের প্রজেক্টে আছি, এরপর আমি হয়তো আবার ব্যাক করবো।
এ পেশায় আমি আবার ফিরতে চাই এবং আমি অবশ্যই ফিরবো। এখনও বিভিন্ন টেলিভিশন থেকে ভালো ভালো অফার পাচ্ছি। কিন্তু আমি চাচ্ছি এমআরডিআই এর মাধ্যমে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় সক্ষমতা আরো বাড়াতে এবং আন্তর্জাতিক বৃহত্তর পরিসরে যোগাযোগ তৈরি করতে। এখানে দুই বছরের প্রজেক্টে আছি, এরপর আমি হয়তো আবার ব্যাক করবো।
আপনার পরিবার, শৈশব, কৈশোর ও শিক্ষা জীবন নিয়ে যদি বলেন।
আমার জন্ম বেড়ে উঠা ঢাকায়। আমরা মিরপুরের স্থানীয়, তখন খেলার মাঠ ছিল, বন্ধুদের নিয়ে খেলাধুলা শৈশব কৈশোর পার করেছি। আমার বাবা মোহাম্মদ শামসুর দোহা সরকারি চাকুরীজীবী ছিলেন, মা মাকসুদা বেগম গৃহিনী। শিক্ষা জীবনে আমি মনিপুরী স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করি। তার পর নটরডেম কলেজে পড়ি। এরপর ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা নিয়ে পড়ি। ব্যক্তি জীবনে আমি বিবাহিত, আমার স্ত্রী ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় অধ্যাপনা করেন। দাম্পত্য জীবনে আমাদের এক সন্তান আছে।
আমার জন্ম বেড়ে উঠা ঢাকায়। আমরা মিরপুরের স্থানীয়, তখন খেলার মাঠ ছিল, বন্ধুদের নিয়ে খেলাধুলা শৈশব কৈশোর পার করেছি। আমার বাবা মোহাম্মদ শামসুর দোহা সরকারি চাকুরীজীবী ছিলেন, মা মাকসুদা বেগম গৃহিনী। শিক্ষা জীবনে আমি মনিপুরী স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করি। তার পর নটরডেম কলেজে পড়ি। এরপর ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা নিয়ে পড়ি। ব্যক্তি জীবনে আমি বিবাহিত, আমার স্ত্রী ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় অধ্যাপনা করেন। দাম্পত্য জীবনে আমাদের এক সন্তান আছে।
প্রত্যেক ব্যক্তিকে সফল হতে হলে, অনেক পথ পাড়ি দিতে হয়। আপনার জীবনের স্ট্রাগলের গল্প জানতে চাই।
স্ট্রাগলের গল্প হচ্ছে, আপনাকে সব জায়গায় টিকে থাকতে হবে। প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠানে আপনাকে প্রুভ করতে হবে, আপনাকে উর্ত্তীন হতে হবে। যখন আমি সাপ্তাহিক ২০০০ এ ছিলাম তখনও প্রুভ করতে হয়েছে। যখন সমকালে গিয়ে তখনও প্রুভ করতে হয়েছে, আমি ভালো রিপোর্টার। এনটিভিতে যাওয়ার পর আমি নতুন করেই শুরু করেছি। যখন মাছরাঙাতে গিয়েছি তখনও উর্ত্তীন হতে হয়েছে। আমাকে প্রমাণ করতে হয়েছে, যে টাকায় আমাকে নিয়েছে, যে পোস্টে আমাকে নিয়োগ দিয়েছে, আমি তার যোগ্য। প্রতিবেদন করতে গিয়ে বিভিন্ন পক্ষের চাপে পড়তে হয়, সেটাও বড় চ্যালেঞ্জ। সব কিছু ওভারকাম করে দিন শেষে আপনাকে টিকে থাকতে হয়েছে।
স্ট্রাগলের গল্প হচ্ছে, আপনাকে সব জায়গায় টিকে থাকতে হবে। প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠানে আপনাকে প্রুভ করতে হবে, আপনাকে উর্ত্তীন হতে হবে। যখন আমি সাপ্তাহিক ২০০০ এ ছিলাম তখনও প্রুভ করতে হয়েছে। যখন সমকালে গিয়ে তখনও প্রুভ করতে হয়েছে, আমি ভালো রিপোর্টার। এনটিভিতে যাওয়ার পর আমি নতুন করেই শুরু করেছি। যখন মাছরাঙাতে গিয়েছি তখনও উর্ত্তীন হতে হয়েছে। আমাকে প্রমাণ করতে হয়েছে, যে টাকায় আমাকে নিয়েছে, যে পোস্টে আমাকে নিয়োগ দিয়েছে, আমি তার যোগ্য। প্রতিবেদন করতে গিয়ে বিভিন্ন পক্ষের চাপে পড়তে হয়, সেটাও বড় চ্যালেঞ্জ। সব কিছু ওভারকাম করে দিন শেষে আপনাকে টিকে থাকতে হয়েছে।
অনেক তরুণ সাংবাদিকতায় ক্যারিয়ার গড়তে চায়। তাদের জন্য আপনার কি পরামর্শ থাকবে।
এখন মিডিয়ার অবস্থা খারাপ, এটা জেনে আসাই ভালো। এটা পেশা হিসেবে কতটা দাড়িঁয়েছে, সেটা নিয়ে ভয় আছে। তবে আমার বিশ্বাস, সাংবাদিকতার এমন অবস্থা থাকবে না। যে জার্নালিজম আমরা স্বপ্ন দেখি, যে জার্নালিজম আমরা প্রত্যাশা করি সেই সাংবাদিকতা বাংলাদেশে হবে। এই সাংবাদিকতার পরিবর্তনটা তরুণেরাই আনতে পারবে। ডেডিকেটেট তরুণেরা যদি সাংবাদিকতায় আসে, তারা যদি সাংবাদিকতা করে, তাহলে এই সাংবাদিকতা ভালো হতে বাধ্য। তরুণদের নিয়ে আমি আশাবাদী, তারা এই জার্নালিজমের চেঞ্জ আনবে এবং এটা একটা প্রফেশন হিসেবে দাড়ঁ করাবে।
এখন মিডিয়ার অবস্থা খারাপ, এটা জেনে আসাই ভালো। এটা পেশা হিসেবে কতটা দাড়িঁয়েছে, সেটা নিয়ে ভয় আছে। তবে আমার বিশ্বাস, সাংবাদিকতার এমন অবস্থা থাকবে না। যে জার্নালিজম আমরা স্বপ্ন দেখি, যে জার্নালিজম আমরা প্রত্যাশা করি সেই সাংবাদিকতা বাংলাদেশে হবে। এই সাংবাদিকতার পরিবর্তনটা তরুণেরাই আনতে পারবে। ডেডিকেটেট তরুণেরা যদি সাংবাদিকতায় আসে, তারা যদি সাংবাদিকতা করে, তাহলে এই সাংবাদিকতা ভালো হতে বাধ্য। তরুণদের নিয়ে আমি আশাবাদী, তারা এই জার্নালিজমের চেঞ্জ আনবে এবং এটা একটা প্রফেশন হিসেবে দাড়ঁ করাবে।
আপনার স্বপ্নের কথা বলুন।
স্বপ্ন হচ্ছে বাংলাদেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা অনেক বেশি শুরু হবে, অনেক চর্চা হবে। সেটার মধ্যে আমার একটা ভূমিকা থাকবে। আর এমন কিছু প্রতিবেদন করতে চাই, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা আন্তর্জাতিক পুরষ্কার নিয়ে আসবে।
স্বপ্ন হচ্ছে বাংলাদেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা অনেক বেশি শুরু হবে, অনেক চর্চা হবে। সেটার মধ্যে আমার একটা ভূমিকা থাকবে। আর এমন কিছু প্রতিবেদন করতে চাই, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা আন্তর্জাতিক পুরষ্কার নিয়ে আসবে।
ছাইফুল ইসলাম মাছুম: স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের ৬০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।
