রোমানা পাপড়ি:
বাংলা নববর্ষ-১৪২৮ উপলক্ষ্যে জন-ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক বিভাগ এবার প্রথমবারের মতো ভার্চ্যুয়াল বর্ষবরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানটি জন-ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের ফেসবুক পেজে লাইভ দেখানো হয়। বেলা ১১ টা থেকে ১ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জন-ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল। অনুষ্ঠানের শুরুতেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের কালজয়ী গান, এসো হে বৈশাখ এসো এসো পরিবেশন করেন জন-ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক বিভাগের পরিচালক পারভীন আক্তার।
অতিথী শিল্পী হিসেবে এই আয়োজনে সংগীত পরিবেশন করেন দেশ বরেণ্য বাউল শিল্পী শফি মন্ডল ও সুরের ধারার শিল্পী সূচেতা শবনম।
এছাড়াও, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শাহীন তন্দ্রা, পল্লবী চক্রবর্তী, সপ্তর্ষী মন্ডল, ফারজানা স্মৃতি, অন্তরা কুন্ডু, তাসনিয়া জামান শ্বাশতী গান, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশন করেন।
উদ্বোধকের বক্ত্যবে ড. মেসবাহ কামাল বলেন, ‘আমাদের জাতিসত্তার শেকড়ের অন্যতম অংশ নববর্ষ। গতকাল ছিল চৈত্রসংক্রান্তি। সেদিন সব পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করে, ব্যবসায়ীরা সারা বছরের হিসাব নিকাশ করে নতুন বছরে হালখাতা খুলেন। বাংলাদেশের কৃষকের যে শক্তি তার অন্যতম উৎস পান্তা ভাত, সেটা পটুয়া এস এম সুলতানের চিত্রে তুলে ধরা আছে।’ এসময় তিনি, আদিবাসীদের চৈত্র সংক্রান্তি ও বৈসাবি উদ্যাপন এর কথা উল্লেখ করেন। বলেন, যেহেতু জন-ইতিহাস চর্চা কেন্দ্র শেকড় সন্ধানী তাই আমাদের বর্ষবরণ সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব নিয়ে আজ পালন করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক ড.সানিয়া সিতারা। সঞ্চালনা করেন রোমানা পাপড়ী।
