খাদিজা ইসলাম স্বপ্না:
২৩তম জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ২য় রাউন্ডে উত্তীর্ণ হয়েছে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ।১ম রাউন্ডে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
শনিবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ টেলিভিশন রামপুরা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিতর্কের বিষয় ছিল ‘বর্তমান প্রজন্মের অনাগ্রহের কারণে আমাদের পূর্বপুরুষের সাহিত্য ভান্ডার আজ অবমূল্যায়িত’। বিষয়টির পক্ষে অবস্থান করেছেন স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ও বিপক্ষে অবস্থান করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ মাখদুম হল।

বিচারকদের সঙ্গে বিতর্কে অংশগ্রহণকারীরা
দুই দলের বির্তক শেষে বিচারকদের রায়ে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ জয়যুক্ত হয় এবং ২য় রাউন্ড সুনিশ্চিত করেন। সেরা বিতার্কিক যৌথ ভাবে নির্বাচিত হন স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দলনেতা শফিকুল ইসলাম মুন্না ও বিপক্ষ দলের দলনেতা আমির হামজা।
স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের পক্ষে বিতর্কে অংশগ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিকেল এন্ড ইলেকট্রনিকস ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের ৬১তম ব্যাচের রেজওয়ান আহমেদ রাজিব, কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫৭তম ব্যাচের সজিবুর রহমান খান ও কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের ৬০তম ব্যাচের শফিকুল ইসলাম মুন্না এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ মাখদুম হলের পক্ষে বিতর্কে অংশগ্রহণ করেন নাহিদ, আবুল কালাম ও আমির হামজা।

বিজয়ী বিতার্কিকদের সঙ্গে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা
বিতর্কের শেষে স্টামফোর্ড ডিবেট ফোরামের জেনারেল সেক্রেটারী শফিকুল ইসলাম মুন্না বলেন “প্রথমত ছোট বেলা বিটিভিতে বিতর্ক দেখতাম ভালো লাগতো। কখনো ভাবিনি এখানে এসে বিতর্ক করবো। এর জন্য স্টামফোর্ড ডিবেট ফোরামকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আমাকে এই সুযোগ দেওয়ার জন্য এবং আমি গর্বিত স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশকে এই জাতীয় টেলিভিশন মঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করতে পারায়। যেহেতু শ্রেষ্ঠ বক্তা হয়েছি সেহেতু আমি মনে করি এতে বেশি গর্বের কিছু নেই। এখন এই ধারা বজায় রাখাটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।” স্টুডেন্ট কো-অর্ডিনেটর সজিবুর রহমান খান বলেন “সামনে আর ভালো কিছু করতে চাই। আশা করি পরের রাউন্ড এ আরো ভালো কিছু করবো ”
বিতর্কের দ্বিতীয় রাউন্ড অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছর জানুয়ারি মাসে।
