চারদিক২৪ ডেস্ক:
বিস্ময় আর রোমাঞ্চে ভরা ফাইনাল ম্যাচে শেষ ওভারে শ্বাসরুদ্ধকর পারফরম্যান্সে টাই হলে ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানেও টাই হলে সবচেয়ে বেশি বাউন্ডারি মারার সুবাদে প্রথমবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলো ইংল্যান্ড।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে লিয়াম প্লাঙ্কেট ও ক্রিস ওকসের বোলিং তোপে ইংল্যান্ডকে বড় লক্ষ্য দিতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। হেনরি নিকোলসের ফিফটির সঙ্গে টম ল্যাথামের লড়াকু ইনিংসে ৮ উইকেটে ২৪১ রান করে কিউইরা। এরপর টপ অর্ডার সুবিধা করতে না পারলেও স্টোকস ও বাটলারের দারুণ জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় ইংল্যান্ড।
লক্ষ্যে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ইংল্যান্ডের। কিউই পেসারদের চমৎকার বোলিংয়ে মোটেও সুবিধা করতে পারছিলেন না ইংল্যান্ডর ব্যাটসম্যানরা। কিউই পেসারদের তোপে ৮৬ রানে ৪ উইকেট হারানো ইংল্যান্ড ঘুরে দাঁড়ায় স্টোকস ও বাটলারের জুটিতে। পঞ্চম উইকেটে ১১০ রানের জুটি গড়েন তারা। শেষ দুই ওভারে ২৪ রান দরকার ছিল স্বাগতিকদের। কিন্তু ৪৯তম ওভারে জিমি নিশামের বলে দুটি উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে তারা।
শেষ ওভারে ১৫ রান দরকার ছিল তাদের। বোল্টের প্রথম দুই বলে রান নিতে না পারলেও তৃতীয় বলে ৬ মারেন স্টোকস। পরের বলে নাটকীয়ভাবে ৬ রান যোগ হয় তাদের স্কোরবোর্ডে। পঞ্চম বলে আদিল রশিদ রান আউট হন। শেষ বলে দরকার ছিল ২টি রান। দৌড়ে দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রান আউট হন উড। তবে সমতায় স্কোর শেষ করায় সুপার ওভারে গড়ায় ফাইনাল।
সুপার ওভারে দু’দল ১৫ করে রান তোলে। ফলে ম্যাচ আবার টাই হলে আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী মূল ম্যাচ ও সুপার ওভার মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি বাউন্ডারি মারবে, তারাই ম্যাচে জয়লাভ করবে। নিউজিল্যান্ড মূল ইনিংসে ১৬টি বাউন্ডারি মেরেছিল। আর ইংল্যান্ড মেরেছিল ২৪টি। ফলে মহানাটকীয় এক ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ড দেখা পেল সেই বহু আকাঙ্ক্ষিত বিশ্বকাপ ট্রফির।
স্টোকস ৯৮ বলে ৫ চার ও ২ ছয়ে ৮৪ রানের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হন। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নিউজিল্যান্ড-২৪১/৮
ইংল্যান্ড-২৪১ (অলআউট),
সুপার ওভার দু’দল ১৫ করে রান তোলে।
