মো: আল আমিন তুষার:
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ভালো মানে পৌঁছাতে দেশের গণমাধ্যমসমূহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আর এটা কার্যকর হতে পারে শিক্ষাবিটের প্রতিবেদকদের হাত ধরে। শনিবার (১০ জুলাই) শিক্ষা সাংবাদিকতা বিষয়ক এক অনলাইন কর্মশালায় এমন মত দিয়েছেন ইনডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন এর সিনিয়র রিপোর্টার নুরে আলম পিন্টু।
স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক ফোরাম এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় তিনি আরো বলেন, ‘শিক্ষা বিট মানে শুধু ভর্তি পরীক্ষা আর পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল এর দিন না, আরও অনেক বিস্তৃত পরিসরে কাজের সুযোগ আছে।’
নুরে আলম পিন্টু বলেন, “গড়পড়তা চিন্তা করলে হবে না, শিক্ষা নিয়ে কাজ করতে গেলে অনেক কিছু বিবেচনা করে সামনে এগুতে হবে। আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে প্রতিবেদন তৈরী করতে হবে।’
তার মতে, অন্যান্য বিটের মত শিক্ষা বিটে কাজ করতে গেলেও সোর্সের গুরুত্ব অনেক। ভাল সোর্স থাকলে নিয়মিত প্রভাববিস্তারী প্রতিবেদন করা সম্ভব। তিনি বলেন, ‘এই বিটে কাজ করার একটা বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সোর্স এর বিশ্বাস অর্জন করা। নানা ভাবে তাদের সাথে সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা করতে হবে। কাছে যাবার চেষ্টা করতে হবে। কোন ধরণের সুযোগ হাত ছাড়া করা যাবে না।’

নুরে আলম পিন্টু বলেন, ‘শিক্ষা বাজেটকে সঠিক ভাবে যাচাই ও বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন তৈরী করতে হবে। গবেষনাখাতে পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ হচ্ছে না, এটা যেমন সত্য, তেমনি গবেষণার আগ্রহও যে কমে যাচ্ছে সেটাও একই রকম সত্য। শিক্ষা বিটের সাংবাদিক হিসেবে দুটি বিষয়ের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে হবে।’
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন ইনডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন এর সিনিয়র রিপোর্টার। আয়োজকরা আশা করছেন, যারা ভবিষ্যতে শিক্ষা বিটে কাজ করতে আগ্রহী, তাদের জন্য এই কর্মশালা ভাল ভুমিকা রাখবে।
কর্মশালায় স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এর সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ও ফোরাম এর কনভেনর মোশাররফ হোসেন মামুন এবং কো কনভেনর তপন মহামুদ লিমন, ফোরামের সভাপতি হাসানওয়ালীসহ ফোরামের সদস্য ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যলয়ের প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক ফোরাম এর সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন।
