চারদিক২৪ ডেস্ক:
ভারতের আসাম ও বিহার রাজ্যে পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ১৭০ জন প্রাণ হারিয়েন। মানবেতর জীবন যাপন করছে সেখানকার ক্ষতিগ্রস্ত ১ কোটির বেশি মানুষ। নেপালের পূর্বাঞ্চলে বন্যায় এ পর্যন্ত ৯০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। অঞ্চলটির বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও এখনও নিখোঁজ রয়েছে ২৯ জন।
এদিকে, চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সিচুয়ান প্রদেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
একই অবস্থা চলছে বিহারে। পানিতে তলিয়ে গেছে ঘরবাড়ি-রাস্তাঘাট। এ পরিস্থিতিতে নিজের শেষ সম্বল ও গবাদি পশু নিয়ে উঁচু এলাকা ও বিভিন্ন অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে ঠাই নিয়েছেন অঞ্চলের অন্তত ১২টি জেলার গৃহহীন ৭৬ লাখের বেশি বাসিন্দা। তবে ত্রাণ সহায়তা না পাওয়ায় আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে বাড়ছে হাহাকার।
আসামে টানা বর্ষণের প্রভাবে ব্রক্ষপুত্রসহ বেশ কয়েকটি নদ-নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইতে থাকায় আশ্রয় হারিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন ৩০ লাখের বেশি মানুষ। দুর্গতদের সহায়তায় আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সেবা দিতে মাঠে নেমেছেন সেনা সদস্যরা।
নেপালের পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় বিভিন্ন এলাকা থেকে পানি নেমে যেতে শুরু করেছে। এ অবস্থায় বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন বিভিন্ন অস্থায়ী শিবিরে আশ্রয় নেয়া বাসিন্দারা। তবে অর্ধশতের বেশি সড়ক ও সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা।
এদিকে, চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সিচুয়ান প্রদেশে নতুন করে ভারি বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ায় প্লাবিত হয়েছে ৭টির বেশি এলাকা এবং ৩ হাজার হেক্টরের বেশি ফসলি জমি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৭২ হাজারের বেশি মানুষ। এ পরিস্থিতিতে সোমবার প্রদেশটিতে রেড অ্যালার্ট জারি করে কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে পানিবন্দী ১২শ’র বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। দুর্গতদের সহায়তা কাজ করছে জরুরী উদ্ধারকর্মীরা
