টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হারলো বাংলাদেশ

খেলা বাংলাদেশ

তুষার আহম্মেদ
দুই দফায় বৃষ্টির কারণে ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৬ ওভারে ১৭০ রান। যদিও ম্যাচ রেফারির ভুলে সেটা ৯ বল খেলার পর জানতে পারে বাংলাদেশ। তবুও সৌম্য সরকারের আকস্মিক ঝড়ে আশা জাগলেও, পরাজয় এড়াতে পারলো না টাইগাররা।

তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টির সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ২৮ রানে হেরেছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। ফলে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ হারল বাংলাদেশ।

শুরুতেই লিটন দাসকে হারায় বাংলাদেশ। হামিস বেনেটকে লেগ সাইডে তুলে মারতে গিয়ে মার্ক চ্যাপম্যানের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। ৫ বলে ৬ রান করে ফেরেন পুরো সফরে ব্যর্থ হওয়া লিটন। তবে টাইগারদের রানের চাকা সচল রেখেছিলেন সৌম্য সরকার ও নাঈম শেখ।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্বক ব্যাটিং করা সৌম্য ইশ সোধি ও অ্যাডাম মিলনের বিপক্ষে দারুণভাবে রান তুলতে থাকেন। তাঁকে বেশ ভালোভাবে সঙ্গ দিয়েছেন নাঈম। তিনে নেমে দারুণ ব্যাটিং করতে থাকা সৌম্য ২৫ বলে বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন।

হাফ সেঞ্চুরির তুলে নেয়ার পর অবশ্য ইনিংস বড় করতে পারেন নি তিনি। টিম সাউদিকে ছক্কা মারতে গিয়ে ২৭ বলে ৫১ রান করে সাজঘরে ফেরেন সৌম্য। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানের বিদায়ের পর সাজঘরে ফেরেন নাঈমও। ৩৫ বলে ৩৮ রান করা বাঁহাতি এই ওপেনার ফেরেন গ্লেন ফিলিপসের বলে।

এরপরের ব্যাটসম্যানরা ছিলেন আসা যাওয়ার মিছিলে। একে একে সাজঘরে ফিরতে থাকেন আফিফ হোসেন, মোহাম্মদ মিঠুন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনরা। মাঝের দিকে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর ১২ বলে ২১ রান কেবল হারের ব্যবধান কমিয়েছে। নিউজিল্যান্ডের হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন বেনেট, সাউদি এবং মিলনে।

এর আগে ইডেন পার্কে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ১৭.৫ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান তুলেছিল নিউজিল্যান্ড। কিউইদের হয়ে ৩১ বলে ৫৮ রান করেছেন ফিলিপস। আর শেষ দিকে ১৬ বলে ৩৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছেন ড্যারিল মিচেল। বাংলাদেশের হয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন শেখ মেহেদী হাসান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:নিউজিল্যান্ড: ১৭৩/৫ (ওভার ১৭.৫) (ফিলিপস ৫৮*, মিচেল ৩৪*, মেহেদী ২/৪৫)

বাংলাদেশ: ১৪২/৭ (ওভার ১৬) (সৌম্য ৫১, নাঈম ৩৮, মাহমুদউল্লাহ ২১, সাউদি ২/২১, বেনেট ২/৩১, মিলনে ২/৩৪)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *