ইউরোপিয়ান সুপার লীগ বন্ধে ইউএফা এবং ফিফার পদক্ষেপকে সব ধরণের সহযোগিতার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এক টুইট বার্তায় এই লিগ সম্পর্কে বলেছেন, ‘ইউরোপিয়ান সুপার লিগ আয়োজনের পরিকল্পনা ফুটবলের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হবে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত ঘরোয়া ফুটবল কে ধ্বংস করবে’।

রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সেলোনা, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদসহ মোট বিশটি ক্লাব নিয়ে ইউরোপিয়ান সুপার লিগ লীগের আয়োজন এর পরিকল্পনা হয়েছিল। এর মাস্টারমাইন্ড হলেন ফ্লোরেন্টিনো পেরেজ, যিনি রিয়াল মাদ্রিদ এর প্রেসিডেন্ট। কিন্তু এই লীগ গঠনের আটচল্লিশ ঘন্টার মধ্যেই সব ভেঙে যায়। এক এক করে দশটি ক্লাব সরে যায় এই সুপার লিগ থেকে। অবশিষ্ট দুটি দল হল রিয়াল মাদ্রিদ এবং বার্সেলোনা। ফলে এই দুটি ক্লাব নিয়ে আর সুপার লিগ হবার সম্ভাবনা নেই।
ইউএফা এবং ফিফা সরাসরি ঘোষণা করেছিলো এই লীগে যে দলগুলো অংশগ্রহণ করবে সে ক্লাবগুলো আর তাদের ঘরোয়া লিগে অংশ নিতে পারবে না। এছাড়াও অংশ নিতে পারবে না ইউএফা চ্যাম্পিয়নস লিগে। সেই সাথে এই দলেগুলোর প্লেয়াররা তাদের জাতীয় দলে আর সুযোগ পাবে না এবং সেইসাথে বিশ্ব আসর যেমন বিশ্বকাপের মতো আর কোন বিশ্ব আসরের অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
সুপার লিগের ক্লাবগুলোর সমর্থকেরাও এ সুপার লিগের বিপক্ষে ছিল। লিভারপুল, চেলসি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার সিটি, আর্সেনাল, টটেনহ্যাম সবগুলো ক্লাবের ভক্তরাই অসমর্থন জানিয়েছিলেন এ পরিকল্পনার এবং তারা এর বিপক্ষে প্রতিবাদ এবং বিক্ষোভ করে।
এই নতুন লীগ নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তো বটেই বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফিফা, ইউরোপিয়ান সুপার লিগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ইউয়েফা এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানরা পর্যন্ত চরম নিন্দা জানিয়েছেন।
