আবির হাসান:
এবছর আইপিএলের শুরু থেকেই খুব ভাল যাচ্ছিল না চেন্নাই সুপারকিংসের ফর্ম। ক্রমাগত ম্যাচ হেরে প্রথম দিকেই তাদের বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায়। রোববারের ম্যাচটি ছিল আনুষ্ঠানিকতার।
তবে, চেন্নাই এর চাপহীন ম্যাচে চাপে ছিল পাঞ্জাব। প্লে-অফ এ স্থান করে নেয়ার শেষ সুযোগ ছিল তাদের কাছে। কিন্তু সে চাপ আর সামলে উঠতে পারলো না লোকেশ রাহুলের দল। তাই, ১৪ পয়েন্ট নিয়ে প্লে অফ এ যাওয়ার স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল। চেন্নাইয়ের কাছে ৯ উইকেটে হেরে প্রথম আইপিএল শিরোপার জন্য খায়েশ আরেক মৌসুমের জন্য তুলে রাখতে হল প্রীতি জিনতার পাঞ্জাবের।
তবে, জিতে লাভ না হলেও পাঞ্জাবকে বিদায়ের সাথী করে নিতে পেরেছে চেন্নাই! তাদের জয়ে অবশ্য খুশি হায়দ্রাবাদ। এখনো হাতে এক ম্যাচ বাকি এবং ১২ পয়েন্টস নিয়ে ৫ নম্বর স্থানে আছে তারা। পাঞ্জাব জিতলে হায়দ্রাবাদের বিদায় নিশ্চিত ছিল। কিন্তু এখন প্লে অফ খেলা্র সম্ভাবনা আছে হায়দ্রাবাদের। তবে, তা নির্ভর করছে তাঁদের শেষ ম্যাচ এর ফলাফলের উপর, যেখানে মুখোমুখি হবে পয়েণ্টস টেবিলের প্রথম স্থান অধিকারী মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সদের সাথে।
টস জিতে বোলিং এর সিদ্ধান্ত নিয়ে ১৫৩ রানে পাঞ্জাবকে বেঁধে ফেলেছিল চেন্নাই। বাঁচা মরার ম্যাচে নিরাশ ক্যারেবিয় ব্যাটসম্যান নিকোলাস পুরান ও ক্রিস গেইল। ৩০ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় দিপক হুদার ৬২ রানই ছিল পাঞ্জাবের বড় অবলম্বন।
পাঞ্জাবের দেওয়া লক্ষ্যটা একেবারে ছোটও ছিল না। কিন্তু ১৫৪ রানের সেই লক্ষ্য চেন্নাই ৯ উইকেট ও ৭ বল হাতে রেখে পেরিয়ে গেছে রুতুরাজের ৪৯ বলে অপরাজিত ৬২ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংসে। ৬টি চার ও ১টি ছক্কায় সাজানো ২৩ বছর বয়সী ভারতীয় ব্যাটসম্যানের ইনিংস। সাথে ডু প্লেসিসের ৪৮ রান জয়কে সহজ করেছে, যেটি তিন করেছেন ৩৪ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায়।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব: ২০ ওভারে ১৫৩/৬ (দিপক হুদা ৬২*, লোকেশ রাহুল ২৯)
চেন্নাই সুপার কিংস: ১৮.৫ ওভারে ১৫৪/১ (রুতুরাজ ৬২*, ডু প্লেসিস ৪৮)