সুমাইয়া সুগরা অনন্যা ও হৃদয় সম্রাট:
জাতীয়করনণের দাবিতে ৪৫ দিনের মত অবস্থান ও দু’সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অনশন করছেন দেশের বিভিন্ন বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। ১৮ তম দিন পর্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ১৩৮ জন শিক্ষক। তারা রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সারাদেশ থেকে কয়েক শত শিক্ষক এই কর্মসূচীতে অংশ নিচ্ছেন। তাদের অভিযোগ, বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণ না হওয়ার কারনে নাম মাত্র বেতনে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন হাজার হাজার শিক্ষক ।
রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে আন্দোলনরত শিক্ষকরা ১৬ জুন থেকে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের ফুটপাতে অবস্থান নিয়েছেন। ৩০ জুন থেকে অনশন কর্মসূচী শুরু করেন। তারা দাবি জানাচ্ছেন, তৃতীয় ধাপে বাদ পড়া ৭ হাজার ২২৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করতে হবে।

বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ মামুনুর রশীদ খোকন ও সাংগঠনিক সম্পাদক আ স ম জাফর ইকবাল চারদিক টুয়েন্টিফোরকে জানান, ‘প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন এমপি দ্রুত সময়ের মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে আন্দোলনরত শিক্ষক নেতৃবৃন্দকে আশ্বাস প্রদান করেন। তবে আমরা বাস্তবায়ন দেখতে চাই।’
২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৬,১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয়করণের ঘোষণা দেন। কিন্তু নানা সরকারি জটিলতার কারণে জাতীয়করণকালীন কিছু সংখ্যাক বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিক্ষক জাতীয়করণ হতে বঞ্চিত হন। অবিলম্বে এই বিদ্যালয়গুলোকে জাতীয়করণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
