রুবাইয়াত রুম্মান রুদ্র
বাংলায় একটি প্রবাদ খুব প্রচলিত আছে, কিছু পুরনো হয়ে গেলে বলা হয় ‘জাদুঘরে পাঠিয়ে দাও’। যদিও জাদুঘরকে অপ্রয়োজনীয় বলেই ধরা হয়, তবুও এটি সমাজ, সংস্কৃতি, ইতিহাসকে বয়ে নিয়ে বেড়ায় কালের পর কাল। জাদুঘরে গেলে মানুষ ইতিহাসের সুবাসের সাথে নিজের অস্তিত্বের আদিমতম রুপকে ফিরে পায় বারংবার।
জাদুঘরের ইংরেজি মিউজিয়াম শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ মিউজয়ন থেকে, যার অর্থ কাব্যাদির অধিষ্ঠাত্রী দেবীর মন্দির। বাংলায় জাদুঘর কথাটির অর্থ হলো, যে গৃহে অদ্ভুত পদার্থসমূহ সংরক্ষিত আছে এবং যা দেখে মন্ত্রমুগ্ধ হতে হয়।
ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অব মিউজিয়ামসের আহ্বানে ১৯৭৭ সালে প্রথম বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবসটি পালিত হয়। সেই থেকে প্রতিবছর ১৮ মে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। এবারের প্রতিপাদ্য : “জাদুঘর, স্থায়িত্ব ও সমৃদ্ধি।”
১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অব মিউজিয়ামস (আইসিওএম)। এর সদস্য হিসেবে বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মোট ১৮০টি দেশের ২৮ হাজার জাদুঘর যুক্ত রয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত একটি জাদুঘর। এর প্রতিষ্ঠাকাল ২০ মার্চ, ১৯১৩ এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ৭ই আগস্ট, ১৯১৩ সালে উদ্বোধন করা হয়। এটি ১৭ই নভেম্বর ১৯৮৩ সালে জাতীয় যাদুঘরের মর্যাদা লাভ করে। এখানে নৃবিজ্ঞান, চারুকলা, ইতিহাস, প্রকৃতি এবং আধুনিক ও প্রাচীন বিশ্ব-সভ্যতা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ইত্যাদি বিষয়ে ৪৪ টি পৃথক গ্যালারী রয়েছে। এছাড়াও একটি সংরক্ষণাগার, গ্রন্থাগার, মিলনায়তন, সিনস্কেপ এবং চলচ্চিত্র প্রদর্শনীও রয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের রয়েছে আনুমানিক ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার বইসংবলিত নিজস্ব গ্রন্থাগার। গবেষণার কাজে এই গ্রন্থাগার বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে। এ ছাড়া রয়েছে জাদুঘর মিলনায়তন, যা বিভিন্ন কর্মশালা, সেমিনার বা সভার কাজে ব্যবহার করা হয়।
বাংলাদেশ ডাক জাদুঘর
বাংলাদেশ ডাক জাদুঘর ঢাকা জেনারেল ডাকঘর (জিপিও) তে অবস্থিত একটি জাদুঘর। ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এ জাদুঘরে নানা সময়ে ডাক বিভাগের ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি স্থান পেয়েছে।
জাদুঘরটি প্রথম শুরু হয় ১৯৬৬ সালের ৯ অক্টোবর। সে সময় এটি ছিল ঢাকা জিপিও’র কাউন্টারের পাশে একটি সাধারণ প্রদর্শনী। পরে ১৯৮৫ সালে তা জিপিও ভবনের তৃতীয় তলার দুইটি কক্ষে স্থানান্তরিত হয়। কক্ষ দুইটির মোট আয়তন ২,১৬০ বর্গফুট।
জাদুঘরের মোট ২,১৬০ বর্গফুট আয়তনের কক্ষ দুটির একটিতে ডাক বিভাগের কার্যক্রমে ব্যবহূত বিভিন্ন প্রকার জিনিসপত্র স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে উর্দি পরিহিত, বর্শা ও লণ্ঠন হাতে এবং কাঁধে চিঠির ব্যাগসহ একটি পূর্ণ মাপের ডাকপিয়নের অবয়ব এবং রানী ভিক্টোরিয়া আমলের একটি বিশালাকৃতির ডাকবাক্স উল্লেখযোগ্য। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে ব্যবহৃত ডাকবাক্স এবং বিদেশের বিভিন্ন দেশে ব্যবহূত আধুনিক ডাকবাক্স, বিভিন্ন সময়ে ব্যবহূত চিঠিপত্রে ডাকমাশুল বসানোর বিভিন্ন ব্র্যান্ডের হস্ত ও বিদ্যুৎচালিত যন্ত্র, খুলনা ও বরিশালের নদী তীরবর্তী অঞ্চলে ব্যবহূত পরিভ্রমণকারী ডাকঘরের ক্ষুদ্রাকৃতি নমুনাও এখানে আছে। পার্সেল করার কাজে ব্যবহূত সাত মণ পর্যন্ত ওজন মাপার তুলাদন্ড, ডাকঘরে বিভিন্ন সময়ে ব্যবহূত সিলমোহর, হাত ও টেবিলঘড়ি, রানার ও পিয়নদের বেল্টে ব্যবহূত ব্যাজ, উর্দি ও পোশাক, বিভিন্ন প্রকার ডাকসামগ্রী বহনের উপযোগী বিভিন্ন মাপের ব্যাগ ও ডাকঘরের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ব্যবহূত অন্যান্য দ্রব্যাদি, যার অধিকাংশই শত বছরের পুরাতন। দ্বিতীয় ঘরের দেয়ালে বিশ্ব ডাক সংস্থার ১৯১টি সদস্য রাষ্ট্র কর্তৃক প্রেরিত সে সকল দেশের বিভিন্ন প্রকার ডাকটিকিট একটি কাঁচঘেরা তাকে রাখা আছে।
বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর
বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরের বিজয় সরণিতে অবস্থিত একটি জাদুঘর। পূর্বে এই জাদুঘরের নাম বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর ছিল । জাদুঘরটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়। বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীগুলোর ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাফল্য সংক্রান্ত নিদর্শন ও বিভিন্ন অস্ত্র-শস্ত্রের সংগ্রহ নিয়ে জাদুঘরটি সজ্জিত।
১৯৮৭ সালে প্রথম সামরিক জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৯৯ সালে জাদুঘরটি স্থায়ীভাবে বিজয় সরণিতে স্থানান্তর করা হয়। ২০০৯ সালে জাদুঘরটি আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তৎকালীন সেনা প্রধানের নেতৃত্বে সব সামরিক বাহিনীর প্রতিনিধির সমন্বয়ে ২০১০ সালে একটি কমিটি গঠন করা হয়।ওই কমিটি জাদুঘরটিকে বিশ্বমানে উন্নীতকরণ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের নামে করার সুপারিশ করে।এই লক্ষ্যে ২০১৬ সালে ২৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্পও প্রস্তুত করা হয়। ২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘরের উদ্বোধন করেন ।
বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘরটি বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটারের পশ্চিম পাশে ১০ একর জমি উপর নির্মিত। জাদুঘরটিতে তিন বাহিনীর জন্য নির্ধারিত গ্যালারিসহ ছয়টি পৃথক অংশ রয়েছে ও প্রতিটি বাহিনীর গ্যালারিতে একটি বঙ্গবন্ধু কর্নার রয়েছে। জাদুঘরের নিচতলায় বাংলাদেশ ইতিহাস গ্যালারি, ২য় তলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গ্যালারি, ৩য় তলায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী গ্যালারি, ৪র্থ তলায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা গ্যালারি এবং বেসমেন্টে বাংলাদেশ নৌবাহিনী গ্যালারি রয়েছে।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সেনাবাহিনীর কমান্ডারদের ব্যাজ, পোশাক, অস্ত্র, গোলাবারুদ, কামান, এন্টি এয়ারক্রাফ্ট গান এবং যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন যানবাহন জাদুঘরটিতে রক্ষিত রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের পর তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন যানবাহন এবং অস্ত্রও এখানে সংরক্ষিত রয়েছে। এছাড়া এখানে শিল্প গ্যালারি, প্রদর্শনী গ্যালারি, উপহারের দোকান, মুক্তমঞ্চ, চলচ্চিত্র হল, বহুবিধ হল, সেমিনার হল, গ্রন্থাগার, আর্কাইভ,ভাস্কর্য, ম্যুরাল,কাফেটেরিয়া,আলোকোজ্জ্বল ঝর্ণা ইত্যাদি রয়েছে।
এই জাদুঘর কমপ্লেক্সের পাশে ‘তোশাখানা জাদুঘর’ নামে একটি পৃথক জাদুঘর রয়েছে। তোশাখানা জাদুঘরে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পাওয়া উপহার এবং পুরস্কারগুলি প্রদর্শন করা হয়।
জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর (বাংলাদেশ)
জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ১৯৬৫ সালের ২৬ এপ্রিল তৎকালীন পাকিস্তান সরকার কর্তৃক ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর এটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতায় আসে। এই জাদুঘরটি বাংলাদেশের একমাত্র বিজ্ঞান যাদুঘর এবং জাতীয় পর্যায়ে বিজ্ঞান শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে।
২৬ এপ্রিল, ১৯৬৫ সালে পাকিস্তান সরকারের এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর আত্মপ্রকাশ করে। প্রতিষ্ঠার বছরের সেপ্টেম্বর থেকে এটি ঢাকা গণগ্রন্থাগার ভবনে কাজ শুরু করে। ১৯৭০ সালের এপ্রিল মাসে এটিকে ঢাকার চামেলীবাগে স্থানান্তর করা হয় ও পরের বছরের মে মাসে এটিকে ধানমন্ডির ১নং সড়কে স্থানান্তর করা হয়। ১৯৭২ সালে এটিকে জাতীয় জাদুঘরের মর্যাদা প্রদান করা হয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে। ১৯৭৯ সালে এ জাদুঘরকে ধানমন্ডির ৬নং সড়কে নেয়া হয় ও পরের বছর পুনরায় কাকরাইল মসজিদের সামনের একটি স্থানে স্থানান্তর করা হয়। জাদুঘরের একটি নিজস্ব ভবন নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ সরকার ঢাকার আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগরে ৫ একরের এক খণ্ড জমি বরাদ্দ করে এবং সেখানে ১৯৮৭ সালে এর নিজস্ব ভবনে কার্যক্রম শুরু হয়।
জাদুঘর প্রাঙ্গণ ৪ তলা বিশিষ্ট একটি ভবন রয়েছে। ভবনের ১ম ও ২য় তলায় প্রদর্শশালা, ৩য় তলায় অফিস এবং ৪র্থ তলায় বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি অবস্থিত। প্রদর্শশালা ছাড়া এখানে একটি গ্রন্থাগার, কর্মশালা ও মিলনায়তন রয়েছে। ভবন প্রাঙ্গণে একটি ডাইনোসরের মূর্তি এবং একটি ছোট যুদ্ধ বিমান রয়েছে ।
বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা জাদুঘর
বাংলাদেশ এবং সারাবিশ্বের অতীত ও বর্তমান মুদ্রার ইতিহাস সংরক্ষণ, মুদ্রার ঐতিহ্য ও বিকাশের ক্রমধারা সবার কাছে উপস্থাপনের লক্ষে ২০১৩ সালের ৫ই অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের প্রথম টাকা জাদুঘর (Taka Museum) প্রতিষ্ঠা করেন। রাজধানী ঢাকার মিরপুর দুই নাম্বার সেক্টরে বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমির ২য় তলায় টাকা জাদুঘরের অবস্থান। এখানে সংরক্ষিত ও প্রদর্শিত হচ্ছে প্রাচীন আমল থেকে বর্তমান সময়কাল পর্যন্ত মুদ্রিত বিভিন্ন ধরনের ধাতব মুদ্রা, কাগজের নোট ও মুদ্রা সম্পর্কিত দ্রব্যসামগ্রী। প্রদর্শিত মুদ্রাগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ সহ ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীনতম ছাপাঙ্কিত পাঞ্চ মার্কড (রৌপ্য মুদ্রা) যার ব্যাপ্তি খ্রিষ্টপূর্ব ৫ম-৪র্থ শতক থেকে খ্রিষ্টাব্দ ২য় শতক পর্যন্ত। কুষাণ মুদ্রা, হরিকেল মুদ্রা, দিল্লী ও বাংলার সুলতানদের মুদ্রা, মোগল ও ব্রিটিশ শাসকদের মুদ্রাসহ আধুনিক মুদ্রা সম্ভার।
স্মরণাতীতকাল থেকে ১৯ শতক পর্যন্ত বাংলায় ক্ষুদ্র লেনদেনে মুদ্রা হিসেবে কড়ি ব্যবহার করা হত, সে সব কড়ির কিছু নমুনাও রয়েছে প্রদর্শনীতে। কুষাণ সম্রাটগণের প্রদত্ত শক পার্থিয়ান ও তাম্রমুদ্রার কিছু নমুনা রয়েছে যা খ্রিষ্টাব্দ ১ম ও ২য় শতকে ব্যবহার করা হত। হরিকেল মুদ্রা মূলত ৭ম ও ৮ম খ্রিষ্টাব্দের দিকে বর্তমান সিলেট, নোয়াখালী, কুমিল্লার ময়নামতি, চট্টগ্রামের উপকূলবর্তী অঞ্চলে ব্যবহার হত।
ময়নামতির প্রত্নস্থল থেকে বিপুল হরিকেল মুদ্রা পাওয়া যায়। মধ্যযুগে মুসলিম শাসনামলে তথা সুলতানি শাসনামলে (১৪শ ও ১৫শ শতকে) ২৬ জন শাসক বাংলার বিভিন্ন টাকশাল থেকে মুদ্রা জারি করেন। মুদ্রার তথ্যের উপর ভিত্তি করে এখন পর্যন্ত ৪০টি টাকশালের নাম পাওয়া গেছে। গজনীর সুলতান মাহমুদ সর্বপ্রথম মুদ্রাকে ‘টঙ্কা’ বা ‘টাকা’ হিসেবে পরিচিতি প্রদান করেন। দিল্লির সুলতান ইলতুতমিশ তার স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার নাম দিয়েছিলেন ‘তানকাহ’ বা ‘টাকা’। এছাড়াও ‘টাকা জাদুঘর’-এ রয়েছে মোঘল সময়কালের ‘কোচ’ ও ‘অহম’ বা ‘আসাম’ মুদ্রা।
‘টাকা জাদুঘর’-এর প্রদর্শনীতে বিশেষ ভাবে স্থান পেয়েছে দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুগলক শাহ, মোগল সম্রাট শাহজাহান, আওরঙ্গজেব, ফররুখশিয়ার ও ব্রিটিশ ভারতীয় স্বর্ণ, রৌপ্য, তাম্র মুদ্রা এবং কাগজের নোট। এছাড়াও আছে ব্রিটিশ পরবর্তী পাকিস্তান আমল, স্বাধীন বাংলাদেশের মুদ্রা ও কাগজের নোটের ধারাবাহিক ইতিহাস।
জাদুঘরে এখন পর্যন্ত প্রায় ১২০টি দেশের কাগজের নোট, পলিমার, হাইব্রিড নোট ও ধাতব মুদ্রা রয়েছে। জাপান ও জার্মান টাকশালের মুদ্রা তৈরির মাস্টার জাদুঘরের অন্যতম আকর্ষণ। বিভিন্ন দেশ তথা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, সাবেক চেকোস্লোভাকিয়া, ইতালি, আফগানিস্তান, চীন, ল্যাটিন আমেরিকা, ভিয়েতনাম, লিথুনিয়া, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া এবং কমিউনিস্ট আমলের পোলিশ ব্যাংক নোট, চেক ও বন্ড। বর্তমান সময়ের যুক্তরাষ্ট্র, ইংল্যান্ড, স্পেন, সুইজারল্যান্ড, জামার্নি, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, নেপাল, ভুটান, ভারত, পাকিস্তান এর মুদ্রা।
(ইন্টারনেট অবলম্বনে)
